৫ তারিখের কৌতুককের ভোট ও ভোটারদের কথা


.

দেখা যাচ্ছে, গতকালকের ৫ জানুয়ারি, ২০১৪ সালের প্রহসনের নির্বাচনকে ঘিরে ‘সুশীল’ নেতৃবৃন্দের মধ্যেই মতনৈক্য তৈরী হয়ে গেল! একদল গণতন্ত্রের পক্ষে, আরেকদল তথাকথিত চেতনার পক্ষে। চেতনাধারীরা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তির মত ব্যাবহার করছে, যেন এটির মালিক আর কেউ হতে পারে না! তারা ভুলে গেছে এই সম্পদ বাংলাদেশের সকলের সম্পদ! মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি গণতন্ত্র নয়? মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে কি গণতন্ত্রের বিরোধ ছিল? গনতন্ত্রের প্রাপ্তির আশায়ই তো আমরা পাক স্বৈরতন্ত্র থেকে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে মুক্ত হয়েছি। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং গণতন্ত্র একে অপরের পরিপূরক! মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মানে কি আওয়ামী লীগ যা করে, তাকেই সঠিক বলে ধরে নেওয়া? মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি এই নির্লজ্জ প্রহসনের ভোট? এমনকি আজকে তোফায়েল আহমেদ মন্তব্য করলো, ‘ভোটের মাধ্যমে আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার জয় হয়েছে!’ অন্য সময় হলে বলতেন, ‘গণতন্ত্রের জয় হয়েছে’!

এই তোফায়েল আহমেদের কর্মকান্ডও প্রশ্নবিদ্ধ! তিনি গত নির্বাচিত সরকারের মন্ত্রীসভায় থাকতে রাজী হননি, কিন্তু এই অবৈধ, বিতর্কিত অনির্বাচিত সরকারের মন্ত্রী হয়েছেন কেন তা বুঝে উঠা মুশকিল! একই সভায় আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, দলীয় সরকারের অধীনে যে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব, তা প্রমাণিত হয়েছে! প্রিয় পাঠক, আপনারাই বলুন এটা কোন মাত্রার কৌতুক?! এককথায় তারাও পরোক্ষভাবে স্বীকার করে নিলো, গণতন্ত্রের কথা উচ্চারণ করতেও তাদের লজ্জা হচ্ছে। একইসাথে তারা গণতন্ত্র অস্বীকার করে, মেনে নিল তারা স্বৈরতন্ত্রের অনুসারী। গণতন্ত্র থেকে বহু ক্রোশ সরে গিয়ে তারা সেই স্বৈরতান্ত্রিক বাকশালের দিকে আবার ঝুঁকছে। তাদের এই পদস্খলন সেই ১৯৭৩ এই হয়েছে! তখনও আজকের মত নগ্ন ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করে গণতন্ত্রের কবর রচিত হয়েছে। যেসব সুশীল আংশিক হলেও গণতন্ত্র রক্ষার পক্ষে কথা বলছে, বোধোদয় ঘটেছে, তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। আসুন দেখে আসি কালকের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে সাংবাদিকদের সাথে লাইনে উপস্থিত ভোটারদের কথোপকথনের কিছু খন্ডচিত্রঃ


১) সাংবাদিকঃ "আন্টি, আপনি তো একবার ভোট দিয়েছেন আজকেই, আবার কেন লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন?"

প্রথম ভদ্রমহিলাঃ "দাঁড়ায়ে আছি ... উমম ... খুব সুন্দর ... আমাদের ডিউটি দিছে ... হেহেহে !!"

সাংবাদিকঃ "কে ডিউটি দিয়েছে?"

প্রথম ভদ্রমহিলাঃ "দিয়েছেএএএএ... হি হি হি হি হিহ!!"

এইবার আরেকজন মহিলা ... তার আঙ্গুলে ভোট দেয়ার চিহ্ন ক্যামেরায় দেখানো হইল !

সাংবাদিকঃ "আচ্ছা, আপনি তো ভোট দিয়ে ফেলেছেন ... এই যে আপনার হাতে ভোট দেয়ার চিহ্ন ... তবুও কেন আবার ভোট দেয়ার লাইনে দাড়িয়েছেন ??"

দ্বিতীয় ভদ্রমহিলাঃ "আমার এই জায়গায় থাকতে খুব ভাল লাগতেছে!!"

এইবার তিন নাম্বার ভদ্রমহিলা!!

সাংবাদিকঃ "আপনি তো ভোট দিয়েছে ... তারপরও কেন লাইনে?"

তৃতীয় ভদ্রমহিলাঃ "এই থাকতেছি ... মনে করেন ... খুশির ঠ্যালায়!!

২) সাংবাদিক লাইনে দাঁড়ানো একজন আনসারকে প্রশ্ন করেন,

-আপনি ভোট দিতে এসেছেন?
-জি আমি আনছার।
-আনছার, তো লাইনে কেন?
-দাঁড়াতে কইছে।


৩) লাইনে দাঁড়ানো আরেকজনকে সাংবাদিক প্রশ্ন করেন,

-আপনি ভোট দিতে এসেছেন?
-জি আমি ভোট দিয়ে এসেছি
-ভোট দিয়েছেন তো লাইনে কেন?।
-থাকতে বলেছে।

৪) সাংবাদিক ভেতরে ঢুকে পোলিং অফিসারকে প্রশ্ন,
-সকাল থেকে কয়টা ভোট পড়েছে?
-জি একটা
-তিন ঘন্টায় একটা? আপনি কি সত্যি কথা বলছেন?
-ব্যালট বাক্স দেখেন।

৫) কিছু লোক লাইনে দাঁড়িয়েছে, সাংবাদিক কথা বলছে তাদের একজনের সাথে,

-আপনি ভোটার?
-না
-তো লাইনে দাঁড়িয়েছেন কেন?
-দেখতে এসেছি।
-তো লাইনে দাঁড়িয়ে কেন?
-এটা লাইন? ও , ঠিক আছে সরে যাচ্ছি...

৬) সাহারা খাতুনের নির্বাচনী এলাকার একটি ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিক ঢুকেই একজনকে জিজ্ঞেস করলেন,

-কি ব্যাপার আপনি ভোট না দিয়ে চলে যাচ্ছেন কেন?
-না...আমি ভোট দিতে আসছিলাম...
-ও...আপনার ভোটার আইডি কার্ড কই?
-আইডি কার্ড?
-হ্যাঁ?
-আইডি কার্ড তো ছিল...হারায়ে গেছে!

৭) ভোটার নয় এমন কিছু লোক বুথের ভেতর থাকা নিয়ে সাংবাদিক পুলিশকে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘ঐ লোকগুলো কেন ওখানে ছিল’?
পুলিশ অফিসারঃ আসলে পরিস্থিতি আমাকে জানতে হবে...না জেনে আমি কথা বলতে পারব না...
সাংবাদিকঃ পরিস্থিতি না জেনে আপনি চলে যাচ্ছেন কেন? আপনি দেখেন তাহলে? আপনাকে তো সে দায়িত্বই দিয়েছে সরকার।
পুলিশ অফিসারঃ ব্লা...ব্লা...ব্লা... (আমতা আমতা করে)

৮) একাত্তর টিভির লাইভ রিপোর্টে একজন রিপোর্টার বলছিলেন,

’আমি আপনাদের দেখাতে চাই দল বেঁধে নারী ভোটার ভোট দিতে যাচ্ছেন। আমার সামনে দিয়ে একদল নারী ভোটার যাচ্ছেন। আমি এখন তাদের সাথে কথা বলবো।
-আপনারা কি ভোট দিতে যাচ্ছেন?
-না, আমরা কাজে যাচ্ছি।
‘দুঃখিত ওনারা গার্মেন্টস কর্মী। ভোটারের উপস্থিতি বাড়ছে। তবে এখনো কোন ভোটার ভোট কেন্দ্র গিয়ে ভোট দেননি।'

৯) ঢাকা-৬ আসনের নবাবপুর ভোটকেন্দ্রে ভোটার আইডি কার্ড না থাকা কয়েকজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ভোটারকে ভোটকেন্দ্রের লাইনে দেখা যায়। সাংবাদিক কারন জিজ্ঞেস করলে তারা সরে যায়! এমনকি একজনকে একুশে টিভির সাংবাদিক ধাওয়া করে পুলিশের হাতে তুলে দিতে চেয়েছিলেন। তখন আওয়ামী লীগের নেতারা সেই লোককে রক্ষা করে, সাংবাদিকদের সাথে আক্রমনাত্নক তর্ক শুরু করে দেন।

১০) প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ভোটের রাত বারোটায় তার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জানালেন, ভোটারদের সংখ্যা নাকি এখনও ক্রমান্বয়ে বাড়ছে! তিনি 'তার কাছে থাকা বিভিন্ন তথ্য' দিয়ে প্রমান করলেন, নির্বাচনে ৫০ ভাগের কাছাকাছি ভোট গ্রহন হয়েছে! এমনকি শেখ হাসিনার আসনে ৯৬ ভাগ ভোট আদায় হয়েছে বলে দাবী করলেন! তার এই স্ট্যাটাসে একজন মন্তব্য করলেন,
সকালে আমার মুরগিটা ১ লিটার দুধ দিয়েছিল। তাকে ভোট কেন্দ্রে ভোট দেয়ার সুযোগ দিই। সে সন্ধায় ১০০ লিটার দুধ দিয়েছে। সকালে আমার গরুটা ২টা ডিম পেড়েছিল। তাকেও ভোট কেন্দ্রে ভোট দেয়ার সুযোগ দিই। সে সন্ধায় ২০০টি ডিম দিয়েছে। কেনই বা দিবে না বলুন? সকালে হাজার ভোটও পড়তে হিমশিম খেয়েছে আর এখন শুনি প্রার্থীরা লাখ লাখ ভোট পেয়েছে। তাহলে আমার মুরগি আর গরু এত দিবে না কেন? আসলে তাদেরও নির্বাচনী ছোঁয়া লেগেছে। যেমন জয়ের লেগেছে!
জয়ের একই স্ট্যাটাসে আরেকজন মন্তব্য করেছেন,
‘জী ভাই। আমরা আম জনতা (লীগ সমর্থক বাদে) বোকা না। যাই হোক এখন আর উচিৎ কথা বলে যৌথ বাহিনীর হাতে গুম হওয়ার শখ নাই আমার। আল্লাহ দেশের মঙ্গল করুক’।
কাগজের ফুল নামের আরেকজন মন্তব্য করলেন,
‘আমার খালু তিন মাস আগে মারা গেছে কিন্তু আজকে আমার খালু ভোট কেন্দ্রে আইসা ভোট দিয়ে গেছে আর এই হারামি কয় ভোট বলে সুস্টু ভাবে হইছে!’
আরেকজন সেখানে কমেন্ট করে জয় সাহেবকে বলেন,
‘লাখ লাখ ভোটার ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছিলো__ কিন্তু ঘন কুয়াশার কারনে দেখা যায় নাই! :D’
জয় সাহেবের একই স্ট্যাটাসে আরেকজনের প্রশ্ন,
‘সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পরযন্ত কেন্দ্র ফাঁকা, সন্ধার পর ভোটের সংখ্যা বাড়িয়ে ০৫% থেকে ৫০% করলেই নির্বাচন বৈধ হবে?’
একই স্ট্যাটাসে একজন লিখলেন আসল কথাটি,
‘জয় ভাই, যত যাই বলেন, আজকে আওয়ামীলীগ সরকার প্রমাণ করলো দেশে তত্তাবধায়ক সরকার ছাড়া কোনদিনও নির্বাচন শুষ্ঠ হবে না। আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে আমার খুব ভালো লাগে। একসময় বিশ্বাস করেছিলাম হয়তোবা আপনাদের কথা অনুযায়ী নির্বাচন ফেয়ার(যদিও একক ভাবে নির্বাচনে ফেয়ার হওয়ার মত কিছুই নাই) হবে। কিন্তু এই নির্বাচনেও যেভাবে ভোট কারচুপি হয়েছে তাতে লজ্জা পাওয়া ছাড়া আর কিছুই নাই। তবে স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে বাঙ্গালী কখনো আপোশ করে নাই করবেও না ইনশা আল্লাহ। কিন্তু গণতন্ত্রের নামে যে ৩০০ কোটি টাকার নাটক আর এই কয়দিনের সহিংশতায় যে প্রাণ গুলো গিয়েছে সেটার দায়িত্ব কে নিবে? এখন আমাদের দেশে চেতনাবোধের থেকেও একটা বড় জিনিস দরকার, সেটা হচ্ছে শান্তি!’


১১) ‘ভোটার উপস্থিতি নাই কেন’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মহিউদ্দীন খান আলমগীর বললেন, ‘শৈত্যপ্রবাহের কারনে ভোটার আসছেন না, দুপুরের সময় আসবেন’। মহিউদ্দীন সাহেবের কথামত সাংবাদিকরা দুপুর গড়িয়ে বিকেল চারটা পর্যন্ত ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের জন্য অপেক্ষা করে কাউকে আসতে না দেখে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ঢুকলেন ডাটা সংগ্রহ করতে! প্রিজাইডিং অফিসার জানালেন, ৯০ ভাগ ভোট গ্রহন হয়ে গেছে! ‘ভোটার তো নেই, ৯০ ভাগ ভোট দিলেন কখন?’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কর্মকর্তা বললেন, সবাই সকালে ভোট দিয়ে চলে গেছে! একই ধরণের কথা বলেছেন সাহারা খাতুনও। আমাদের প্রশ্ন হলো, ওনাদেরই ভাষ্যমত শৈত্য প্রবাহের জন্য তো সকালে ভোটাররা আসেনইনি, প্রিজাইডিং অফিসারের কথা মত ৯০ ভাগ ভোটার ভোট কীভাবে ও কখন প্রদান করেছেন? এ ব্যাপারে একজন পথচারীর মন্তব্য, ‘বোধহয় আজকে জ্বীন জাতি নেমেছিল ভোট দিতে। নয়তো ভোট বাচ্চা প্রসব করেছে!’

মহিউদ্দীন খান আলমগীর একই সাথে আরেকটি মন্তব্যও করেছিলেন। তিনি হাসিনাকে আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের সাথে তুলনা করে বলেন, 'ইতিহাসে হাসিনার নাম আব্রাহাম লিংকনের সাথে লিখা থাকবে'। এ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে একে এম ওয়াহিদুজ্জামান ভাই একটি স্ট্যাটাস দিলেন,

তা তো বটেই! আব্রাহাম লিংকন গনতন্ত্রের সংগা দিয়েছিলেন, "Government of the people, by the people, for the people, shall not perish from the Earth"। দীর্ঘ দেড়শত বছর পর হাসিনা তা মিথ্যে প্রমানিত করে নতুন সংগা উপস্থাপন করেছেন, "BAL Government OFF the people, BYE the people, FAR the people, shall not perish from the Bangladesh"।
সারাদেশে ১০ ভাগেরও কম ভোটার উপস্থিতি থাকলেও, এখন নির্বাচনী ফল গণনার সময় ‘লাখ লাখ ভোটের’ হিসেব-নিকেশ করা হচ্ছে! যেখানে সুষ্ঠ ও সকল দলের অংশগ্রহনে স্বাভাবিক নির্বাচনে পর্যন্ত ৬০ ভাগের বেশী ভোটার উপস্থিতি থাকে না, সেখানে হাসিনা গোপালগঞ্জ আসনে এই ভোটার বিহীন নির্বাচনেও একাই ৮৮ ভাগ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বলে নির্বাচনী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন! তাহলে অন্য প্রার্থীদের ভোট হিসেব করলে, ভোটার উপস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে আল্লাহই মালুম! সেক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ৪ টি করে ভোট আদায় হয়েছে, যা এক কথায় অসম্ভব!

আমরা দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, আজকের এই একদলীয় অবৈধ নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করে নিজেদের নিরব রায় প্রদান করার জন্য। যতই আওয়ামী মিডিয়া 'দেশে ভোটের বন্যা বয়ে গেছে' বলে প্রচার চালাক না কেন, কোন লাভ হবে না। কারন দেশের প্রত্যেক নাগরিক জানেন, কাল কি ঘটেছিল সারাদেশে! জনগণ এই অন্যায়ের প্রতি যেভাবে তাদের নিরব ও সরব প্রতিবাদ জানালো, তা এক কথায় অভূতপূর্ব! এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ’৭৩ এর পর আওয়ামী লীগের কপালে আরেকটি কলংকতিলক লেগে গেল। ইনশাল্লাহ, এই একদলীয় সরকার বেশিদিন টিকবে না। সরকার পতনের মূল আন্দোলনের শুরুটা হবে আজ থেকে। তাদের অনৈতিক এই স্বৈরাচারী আচরনের কারনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে চাপ শুরু হবে ভোটের পর দিন অর্থাৎ আজ থেকেই। এই নির্বাচন জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য না হওয়ায়, আমরা মনে করছি, বিএনপি’র জনগণ-সংশ্লিষ্ঠ আন্দোলনের প্রাথমিক বিজয় হয়েছে। আশা করি চুড়ান্ত বিজয় সহসাই অর্জিত হবে, আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। আজকের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি জাতি, সরকার ও আন্তর্জাতিক মহলকে একটা বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।

কিছুক্ষণ আগে জাতি ও আন্দোলনরত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন তারেক রহমান। এ ভাষনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন, ধন্যবাদ জানিয়েছেন দেশবাসীকে, আশার কথা শুনিয়েছেন, ধৈর্য্য ধরতে বলেছেন এবং আন্দোলন অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যাক্ত করেছেন। তার ভাষনের ভিডিওটি নিচে দেয়া হলো। আশা করি ভিডিওটি দেখবেন।