আমার জনপ্রিয়তাই আমার অপরাধ ও হলুদ সাংবাদিকতা


.

প্রথম পর্ব


পত্রিকার ৪/৫ জন খাগড়াছড়ির জেলা প্রতিনিধি একযুগ ধরে আমার বিরুদ্ধে নিউজ করে আসছে জাতীয়, আঞ্চলিক, অন লাইন গনমাধ্যম ও টিভিতে। কারন এরা একেকজনে ৩/৪ টা গনমাধ্যমে কাজ করে। এরা তিলকে তাল করে আর সাদাকে কালো, কালোকে সাদা বানায়।

এখন প্রশ্ন হলো তারা কেন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে? এর উত্তর আমার কাছে নাই। তবে এইটুকু বলতে পারি, আমি বিএনপি করি আর তারা খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ ও খাগড়াছড়ি পৌর আওয়ামী লীগের কমিটিতে বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে থেকে আওয়ামী লীগ করে। এদের দায়িত্ব হলো বিএনপি ও ওয়াদুদ বিরোধী নিউজ করে অপপ্রচার চালানো, তারা ঠিক তাই করে যাচ্ছে। যেমন : গত ২-৩ দিন ধরেও আমার বিরুদ্ধে তারা ক্রমাগত হলুদ সাংবাদিকতা করে যাচ্ছে। এদের মধ্যে দুইজন, করে আওয়ামী লীগ, আচরনে কমিউনিস্ট, কিন্তু জামাতের মিডিয়ার জেলা প্রতিনিধি!

এরা মাঝে মাঝে বিএনপি'র শুভাকাঙ্ক্ষী সেজে যায়, তবে সেই বিএনপি হতে হবে ওয়াদুদ ভূইয়া বিহীন বিএনপি। তাদের কাছে ওয়াদুদ ভূইয়া খারাপ। জনগন হলো ওয়াদুদের সাথে আর এরা বলবে ওয়াদুদের জনসমর্থন নাই এবং খারাপ লোক। যদি তাই হয় সেক্ষেত্রে আমিতো গুরুত্বহীন লোক, তো গুরুত্বহীনকে এতো গুরুত্ব দিয়ে নিউজ করার কারন কী? যার জনপ্রিয়তাই নাই, তাকে নিয়ে তাদের এত উদ্বেগ ও আতংকের কারন কী? তা আপনারা বুঝে নিন।

মূলত ওরা চায়, যে কোন উপায়ে খাগড়াছড়ি বিএনপি টিকে থাকুক তবে দুর্বল একটা বিএনপি, যা কিনা আওয়ামী লীগের অনুগত হবে। যে বিএনপিকে আওয়ামী লীগের ইচ্ছেমত পরিচালিত করা যায়,নির্দেশ মত কর্মসুচি বন্ধ রাখা যায়। তারা ওয়াদুদের পরিবর্তে এমন একজনকে বিএনপি'র নেতা বানাতে চায়, যে কিনা দূর্বল ও জনসমর্থনশূন্য নেতৃত্বের অধিকারী এবং নির্বাচনে যাকে অতি সহজেই পরাজিত করা যায়। যা কিনা আমাকে দিয়ে কখনো সম্ভব নয়। বরং ইনশাআল্লাহ প্রতি পদে পদে আওয়ামী লীগ সেখানে আমাদের কাছে পরাজিত হবে। এবং জনগন আমার সাথে, এটাই আমার একমাত্র অপরাধ। এছাড়া আর কোন অপরাধ আমার জানামতে দেখি না।

দ্বিতীয় পর্ব


গতকাল আমার জনপ্রিয়তাই আমার অপরাধ ও হলুদ সাংবাদিকতা প্রসংগে একটি স্টাটাস দিয়েছিলাম। একই বিষয়ে আজ দ্বিতীয় পর্ব দিচ্ছি আপনাদের অবগতির জন্য।

যা বলছিলাম, পার্বত্য অঞ্চলে এতো ইস্যু থাকতে খাগড়াছড়ি জেলার সক্রিয় আওয়ামী ঘরানার ওই ৪/৫ জন সাংবাদিক কেন যে সারাক্ষন আমাকে নিয়ে পড়ে আছে, তা আমি বুঝে উঠতে পারি না। তাদের অবস্থা ও কার্য্যকলাপ এমন যে, দেখলে মনে হবে এই হলুদ, আওয়ামী ও পেইড সাংবাদিকগুলোর মাথায় আমি ছাড়া আর কিছুই নাই। তাদের মাথায় ও মনে সারাক্ষন আমি ঘুরে বেড়াই। নাকি আমাকে নিয়ে যত বেশী মাথা ঘামাবে বা লিখবে ততবেশী আয় করার ব্যবস্থা হয় কিনা তাও বুঝিনা। অবশ্য লোক মুখে শুনা যায় তারা নাকি আমার বিরুদ্ধে যত নিউজ করে তত টাকা পায় আমার প্রতিপক্ষের কাছ থেকে। যদি তাই হয় তাহলে তো তারা আমাকে ধন্যবাদ দেয়া উচিত, কারন আমি আছি বলেইতো তারা লিখতে পারছে, আর সে কারনে টাকা পাচ্ছে। আমার করনে যদি সত্যিই তাদের ইনকাম হয়ে থাকে, তবে তো তারা আমাকে বন্ধু ভাবা উচিৎ। আমি শেষ হয়ে গেলে তো তাদের ইনকাম বন্ধ হয়ে যাবে। আমার কারনে যে আয় হচ্ছে তাদের তা কি তারা বুঝে না?

পার্বত্য অঞ্চলে হাজারো ইস্যু আছে, যেমন প্রতিদিন খুন খারাবি হচ্ছে, অপহরণ, মুক্তিপন আদায়, চাঁদাবাজি হচ্ছে। অবৈধ অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, এসব নিয়ে তাদের কোন মাথা বেথ্যা নাই। আঞ্চলিক স্বশস্ত্র দলগুলো প্রতিনিয়ত নৃশংস, অমানবিক কর্মকান্ড চালাচ্ছে, যা সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনীকে হিমসিম খেতে হচ্ছে। অথচ এরা এসব নিয়ে লেখে না। এরা আছে আমাকে নিয়েই।

স্থানীয় জেলা পরিষদের চরম অনিয়ম, নিয়োগ বানিজ্য, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে সকল নিয়োগে ঘুষ গ্রহন, হাজার হাজার টন খাদ্যশষ্য লুট, তথাকথিত জাতীয় নির্বাচন, লুটতরাজময় উপজেলা নির্বাচন, টেণ্ডারে চরম অনিয়ম সহ শত শত দূর্নীতির বিরুদ্ধে এরা দু' কলম লিখে না। যদিও লোকে বলে এই সাংবাদিকরা নাকি এসবের ভাগ পায়। তাহলে এইটা কি প্রমান করে না, আমার কাছ থেকে কোন রকম ভাগ পায়না বলেই এরা আমাকে নিয়ে উঠেপড়ে লেগেছে? এখন প্রশ্ন হলো আমি ভাগ কেন দেব কোত্থেকে দিবো?

এছাড়াও স্থানীয় আওয়ামী লীগ সকল গুচ্ছগ্রামের রেশন, টি আর/কাবিখা/ কাবিটা, জেলা পরিষদ, পৌরসভা সহ সকল সরকারী বিভাগে চরম অনিয়ম ও দূর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছে। সন্ত্রাস, নৈরাজ্য চালাচ্ছে প্রতিনিয়ত। বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের উপর চালাচ্ছে অমানবিক নির্যাতন ও হামলা-মামলা, কিন্তু এই একটি রাজনৈতিক দলের পৌষ্য এই হলুদ ৪/৫ জন সাংবাদিক ব্যবসায়ীরা এসব বেমালুম এড়িয়ে যাচ্ছে।

তারা আছে শুধু আমাকে হেয়প্রতিপন্ন কিভাবে করা যায় বা বিতর্কিত করা যায় সেই ধান্দায়। তারা নিউজে লিখে আমার কোন জনপ্রিয়তা নাই এবং আমার সাথে কোন নেতা কর্মী নাই, তা সত্য হলে তো আমি গুরুত্বহীন। তাই যদি হয়, তাহলে এই ধরনের গুরুত্বহীন ও অজনপ্রিয় ব্যক্তিকে নিয়ে কেউ মাথা ঘামাতেও কখনো শুনি নাই। অথচ এরা একই নিউজে একদিকে লিখে আমি অজনপ্রিয় ও নেতা- কর্মীশুন্য, অপরদিকে তাদের করা পুরো নিউজটাই থাকে আমাকে ঘিরে। তাদের নিউজে যে এলডিপি করে তাকে তারা বিএনপি বানায়, আর যে বহিস্কৃত তাকে বিএনপি'তে আবিস্কার করে। তারা তাদের উপর অর্পিত এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে দিনকে রাত, আর রাতকে দিন বানাচ্ছে। 

তৃতীয় পর্ব   

গত দুই পর্বের পর আমার বিরুদ্ধে খাগড়াছড়ির কতিপয় সাংবাদিকের বিষেদাগার ও মিথ্যাচার নিয়ে
'আমার জনপ্রিয়তাই আমার অপরাধ ও হলুদ সাংবাদিকতা' শীর্ষক স্ট্যাটাস সিরিজের শেষ পর্ব আজ দিলাম।

২০০৭ সাল। চলছে ১/১১'র অবৈধ জরুরী সরকারের আমল। দেশের শীর্ষ ৫০ জন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে আমাকেও সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকার গ্রেফতার করল। হ্যাঁ, স্বীকার করতে দোষ নেই সব রাজনৈতিক নেতা নির্দোশ ছিলনা। কিন্তু সমস্যা হলো, এই অবৈধ জরুরী সরকার যাদেরকেই তাদের পথের কাঁটা মনে করেছে, তাদেরকেই গ্রেফতার করেছে, এখানে দূর্নীতিবাজ হওয়া না হওয়া মূখ্য বিষয় ছিল না। একই সাথে রাজনীতিবিদদের সম্পর্কে মানুষের ধারনাটা লুফে নিয়ে, গ্রেফতারকৃতদের নামের সাথে দূর্নীতিবাজ তকমা লাগিয়ে জনসমর্থন আদায় করাও চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু মূল ব্যাপারটি সেটা ছিল না। ঢালাওভাবে দূর্নীতিবাজ তাদেরকেই বলা হয়েছে বা গ্রেফতার করা হয়েছে, যারা এই অবৈধ জরুরী সরকারকে সমর্থন করতে রাজী হয়নি। তখন সেইসব নেতাদের খুব সহজেই দূর্নীতিবাজ আখ্যা দিয়ে গ্রেফতার করেছে তারা। অথচ, জরুরী সরকারকে যারা প্রকাশ্যে বা পরোক্ষভাবে সমর্থন জানিয়েছে, তথা সকল সংস্কারপন্থীরা যেন ছিল ফুলের মত পবিত্র! তাদের কেউই যেন দূর্নীতিবাজ নয়! তাই যেন তাদের গ্রেফতারও করা হয়নি!

আমি আগেই বলেছি, দেশের অধিকাংশ রাজনীতিবিদের সম্পর্কে মানুষের একটি নেতিবাচক ধারনা আছে। এই ব্যাপারটিকে উস্কে দেয়ার জন্য তৎকালীন সরকার দেশের অধিকাংশ সংবাদপত্রকে হয় কিনে ফেলে নয়তো হুমকি-ধমকি দিয়ে নিজেদের পক্ষে লিখতে বাধ্য করে। আমি সেই আশির দশক থেকে পাহাড়ের রাজনীতির সাথে উতপ্রোতভাবে জড়িত। আমাকে আমার এলাকার মানুষ কীভাবে দেখে, সেটি জানার জন্য আপনি খাগড়াছড়ি বা জাতীয় পত্রিকার দিকে তাকালে ভুল করবেন। বরং, একবার ঘুরে আসতে হবে খাগড়াছড়িতে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে। সাধারন মানুষের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে ওয়াদুদ ভূইয়াকে তারা কীভাবে দেখে। আমি স্রষ্টার কাছে অনেক কৃতজ্ঞ, তিনি আমাকে মানুষের এত্ত বেশি ভালোবাসা পাইয়ে দিয়েছেন যে, শান্তনা পাই এই ভেবে নিজের ত্যাগ ও পরিশ্রম স্বার্থক হয়েছ এবং নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হয় মাঝে মাঝে।

আমার এলাকায় রাজনৈতিকভাবে আমার ভিন্নমতালম্বী প্রচুর। কিন্তু তাদের সাথে মতাদর্শজনিত কারনে আমি কখনও সামান্য খারাপ আচরন করেছি বলে আমার মনে পড়ে না। আমার এলাকার বহু সাংবাদিক যুগ যুগ ধরে আমার বিরুদ্ধে নিউজ করে যাচ্ছে, আমি কখনও তাদের ক্ষতি করেছি, এ কথা তারা বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে না। কিন্তু মাঝে মাঝে তাদের মিথ্যাচার মাত্রাছাড়া হয়ে উঠে।

আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিদের বিষেদাগারের শুরুটা আমার সময়েই। বিভিন্ন অন্যায় সুযোগ-সুবিধাদি আমি তাদেরকে নিতে দিইনি কিন্তু তাদেরকে ন্যায় সংগত প্রচুর সুযোগ সুবিধা দিয়েছি। অন্যায়ের পক্ষে তাদের অবস্থানটা মেনে নিতে পারিনি। সেই ক্ষোভ তারা আরও উগড়ে দিতে শুরু করে জরুরী সরকারের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতায়। আমার বিরুদ্ধে 'জনমত' দাড় করাতে হলে, সেই সরকারের জন্য অন্য কারও মত আমাকেও কেবল 'দূর্নীতিবাজ' আখ্যা দিলেই যথেষ্ঠ হত না। তাদের দরকার ছিল আমার বিরুদ্ধে 'জনমত' গঠন। আমি তখন জেলে। আমার বিরুদ্ধে কি পরিমান নির্মম মিথ্যাচার করেছে তারা, ভাবতে অবাক লাগে! আমি ভেবেছি, তাদের হাত বা কলম কি এতটুকু কাঁপেনি একজন মানুষ সম্পর্কে অসীম মিথ্যাচার করতে? তারা নাকি জাতির বিবেক, আমার প্রশ্ন, এই বিবেক জিনিসটা তারা কোথায় লুকিয়ে রেখেছিল, যখন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছিল? আমাকে যারা অত্যন্ত দূর থেকেও চেনে, তারা পর্যন্ত পড়ে অবাক হয়েছে সেসব নিউজ। কাছের মানুষের কথা কী আর বলবো? আমাকে তখনকার নিউজে রীতিমত গডফাদার বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ পাহাড়ে শন্তু লারমা ও প্রসীত খীসা নামের দুইজন দুইটি স্বসস্ত্র দলের 'ফাদার' আছেন। তারা আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের ছদ্মাবরনে অস্ত্রের ঝনঝনানি চালাচ্ছে গোটা পাহাড়জুড়ে। তাদেরকে রেখে আমার মত এমন একজন ব্যাক্তিকে তারা 'গডফাদার' বানাল, যে কিনা একটি জাতীয় গনতান্ত্রিক দল করেন! আমাকে শামীম ওসমানের সাথে তুলনা করা হয়েছে, এরশাদ শিকদারের সাথে তুলনা করা হয়েছে! এসব পড়ে একজন সুস্থ মানুষের গা রি রি করে উঠবে। আমারও উঠেছিল। গা গুলিয়ে উঠেছিল প্রচন্ড ঘৃণায়। কারন উপরের দুইটা মানুষের কর্মকান্ডকেই আমি মারাত্মক ঘৃণা করি। একই সাথে সেইসব হলুদ সাংবাদিকদেরও, যারা বিনা কারনে একটা মানুষকে ক্ষতবিক্ষত করার মিশনে নেমেছে। আল্লাহর রহমতে এসব সামাল দিতে আমার বিন্দুমাত্র বেগ পেতে হয়নি, সামান্যতম ভয় এসে গ্রাস করতে পারেনি, শুধুমাত্র সেসব সাংবাদিকদের প্রতি করুনা ছাড়া। কারন আমি জানি আমি সঠিক ছিলাম। আমার কল্পনাশক্তি সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে, যখন চিন্তা করি, সাধারন মানুষ এদের কলম সন্ত্রাসের কাছে কতটুকু অসহায়।

এরপরও তাদের লিখতে হয় 'নানা বাস্তবতায় জনপ্রিয় ওয়াদুদ ভূইয়া'। বাস্তবতায় মানুষ ক্ষমতাধর হতে পারে, বাস্তবতায় মানুষ ক্ষমতাহীন হতে পারে। কিন্তু বাস্তবতার অজুহাত দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করা যায় না। 'জনপ্রিয়তা' এমন এক জিনিস, যার উদ্ভব ঘটে সাধারন মানুষের মন নিংড়ানো ভালোবাসা থেকে। জোর করে বা বাস্তবতার ফেরে জনপ্রিয়তা পাওয়া যায় না, বরং শত ত্যাগ-তিতীক্ষা, মানুষের অধিকারের পক্ষে আর ন্যায়ের পক্ষে অবিরাম সংগ্রাম করলেই এটি অর্জন সম্ভব। কোন অন্যায় করলে, মানুষের জন্য কাজ না করলে, মানুষের পক্ষে লড়াই না করে মানুষের পেটে আঘাত করে কখনই এই জনপ্রিয়তা অর্জন সম্ভব নয়। আর এটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি, অনুপ্রেরনা ও রক্ষাকবচ। এটিই প্রমান করে আমি সারাজিবন মানুষের জন্য, এলাকার জন্য কাজ করেছি এবং করে যাচ্ছি। মানুষের অবিরাম ভালোবাসাই প্রমান করে, আমি সঠিক ছিলাম কিনা।