লেখালিখি


.



ফেইসবুকে দেয়া আমার কিছু স্টাটাস


এক,(ক)
December 22.2013


সেনাবাহিনী নামছে, আমি নাগরিক হিসাবে স্বাগত জানাই। সিইসি দাবী করেছিল সেনাবাহিনীর প্রয়োজন হবে না। পুলিশ-বিজিবি-র‍্যাব দিয়েই কাজ সারতে পারবে। তবে এখন সিইসি সাহেব আচমকা কি মনে করে উপলব্ধি করলেন সেনাবাহিনীর প্রয়োজন? এক তরফা নির্বাচনে সেনাবাহিনীর প্রয়োজন আছে কি? যেখানে প্রধানমন্ত্রী নিজেই বললেন মাঠে খেলোয়াড় নাই, তো যে মাঠে খেলোয়াড় থাকে না, সেই মাঠে কি রেফারির প্রয়োজন থাকে? মাঠে খেলোয়াড় কেন নেই প্রধানমন্ত্রী না জানলেও দেশবাসী তা জানেন। প্রধানমন্ত্রী নিজেই প্রতিপক্ষকে মাঠে আসতে দেননি, প্রধানমন্ত্রী বলে কথা! যেখানে ভোটবিহীন নির্বাচন হচ্ছে সেখানে সেনাবাহিনী ও পর্যবেক্ষকের প্রয়োজন কি কারনে?

আমরা বুঝতে পারছি একদলীয় ভোটার ও প্রার্থীবিহীন ভোট যাতে শান্তিপূর্ন ভাবে সমাপ্ত করা যায়, কেউ যেন বাধা দিতে না পারে সেই জন্যই এই আয়োজন। এখানে আমাদের প্রশ্ন জাগে, সেনাবাহিনী স্বাধীনভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবে কিনা, সরকার দিবে কিনা? নাকি পুলিশের মত অন্যায়ভাবে গুলি করতে বাধ্য করাবে। কারন আমরা এটাও বুঝি পুলিশ নিজ থেকে গুলি করে না। পুলিশকে দিয়ে সরকার গুলি করায়। আমরা মনে করি সেনাবাহিনী জাতীর অহংকারের প্রতীক। সেনাবাহিনী এহেন অন্যায় ও অমানবিক নির্দেশ শুনবে না। তারা এভাবে মানুষ মারবে না। ন্যায়-অন্যায় বিবেচনার বোধ শক্তি সেনাবাহিনীর আছে।

এ জায়গায় ও বিবেচনায় এসেই আমরা একটা ভাল লক্ষন দেখতে পাচ্ছি। শান্তিপূর্ন গনতান্ত্রিক আন্দোলনে সেনাবাহিনী নিজেরা তো গুলি চালাতে পারবেই না, বরং তাদের সামনে পুলিশ বা অন্য কোন বাহিনী অন্যায়ভাবে গুলি করে মানুষ মারবে তাও সেনাবাহিনী সমর্থন করবে না। কারন সেনাবাহিনীর সামনে পুলিশ ও আওয়ামী ক্যাডাররা গুলি করলে এর দায়িত্ব সেনাবাহিনীর কাঁধে যায়। সেনাবাহিনী এহেন অপরাধের দায়িত্ব নিতে পারে না, নিতে চাইবে না। সেক্ষেত্রে আন্দোলনকামী জনতার আন্দোলন ও সমাবেশের রাস্তা ওপেন হবে বলে আমি বিশ্বাষ করি। এতে জন-জমায়েতের ক্ষেত্র প্রস্তুত হবে, এবং আন্দোলনকারীদের উচিৎ হবে এই সুযোগ কাজে লাগানো এবং ন্যায়পরায়ণ একটি বাহিনীর উপস্থিতিতে আন্দোলনকে অধিক শক্তিশালী করা। ইন-শা-ল্লাহ বিজয় আমাদের নিশ্চিত, দখলদার সরকারের পতন অবধারিত।

ইতমধ্যেই দখলদার শাসকরা গলা নামিয়ে কথা বলতে শুরু করেছে জনতার রোষানলের ভয়ে। তথ্যমন্ত্রী ইনু বললেন এই ভোটের মাধ্যমে তারা পাচঁ বছর ক্ষমতায় থাকবেন, যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বললেন, না না তা কেন, আলোচনা সফল হলে আগামি সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে আবার নির্বাচন হতে পারে। ইনু কে? তিনি তো আওয়ামী লীগের কেউ না, তিনি যদি এমন বলে থাকেন তা তাঁর নিজের কথা। আওয়ামী লীগের কথা নয়। এই কথার সূত্র ধরে প্রধানমন্ত্রী বললেন আলোচনা ফলপ্রসূ হলে আগামী সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে আবার নির্বাচন করতে আমরা রাজি। এতে কি প্রমান হয়? তারা সুর পাল্টাতে শুরু করেছে, অর্থাৎ এত মানুষের রক্ত, এত গুলি, এত নিপীড়নের পরও তাঁর প্রার্থীরা নির্বাচনী মাঠে যেতে পারছে না, মানুষ রাজপথ ছাড়ছে না। উনার বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়, দেশ জনতা তাকে ছাড়বে না। বাঘে ধরলে বাঘে ছাড়ে বাংলাদেশের মানুষ ও আন্দোলন তাঁকে ছাড়বে না। তাঁর পতন না হওয়া পর্যন্ত মানুষ রাস্তায় থাকবে।

রাতের শেষে সুপ্রভাত, রাত শেষ হয়ে আসছে। অত্যাচারীরও পর্ব শেষ, তাই আমার মতে সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতেই শান্তিপূর্ন আন্দোলন নিরাপদ হবে এবং গণঅভ্যুত্থানে রুপ নিবে। সময় আর বেশী নেই, অপেক্ষা করুন, আন্দোলনে সবাই সামিল হউন। নেত্রী আসছে জনতার কাতারে। প্রয়োজন শুধু রাজপথে জনতার উপস্থিতি ও একটি গন অভ্যুথানের। সুস্বাগতম জনতার সন্তান, জনতার ভাই, আমাদের প্রিয় সেনাবাহিনী।



এক
December 7. 2013.

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে বিএনপি প্রায় ৩ বছর ধরে শান্তীপূর্ন উপায়ে আন্দোলন, আন্দোলন করে আসছে কিন্তু এই সরকার তা শুনে নাই। এমন কি মিছিল-মিটিং ও সমাবেশে বাধা দিয়েছে। সমাবেশ গুলোর অনুমতি পর্যন্ত দেয় নাই, মাইক ব্যবহারে সীমিত জায়গা নির্ধারন করে দিয়েছে। সাধারন মানবন্ধনে পর্যন্ত দাড়াতে দেয়নাই এই জুলুমবাজ সরকার। মিছিলে পাখির মত মানুষ মেরেছে গুলি করে। যখন তখন গ্রেফতার করেছে নেতা-কর্মিদের। বিএনপিকে নেতা শূন্য করে আন্দোলনে অক্ষম করে তোলার ষড়যন্ত করেছে এই সরকার, তখন আজকের বুদ্ধিজীবি ও টক-শো জীবিরা কোথায় ছিলেন ?

বিএনপি অনেক সহ্য করেছে। দেশ ও জনগনের কথা মাথায় রেখে, সকল ধরনের জুলুম আর নির্যাতন সত্বেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করেছে। একে বিএনপি’র দুর্বলতা ভেবে বিএনপি’র আন্দোলনের সামর্থ্য নিয়ে কটাক্ষ করা হয়েছে। বলা হয়েছে আন্দোলন করার মুরোদ নাই বিএনপি’র। আজ যখন ১৮ দলীয় জোট চরম আন্দোলনের সূচনা করলো, অথচ আজ কিছু কুলাঙ্গার, মানুষ মরছে আওয়াজ তুলে আন্দোলন কারীদের মানবতার ছবক দিচ্ছে এবং জনমত কে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে চাচ্ছে। কিন্তু তারা একবারও বলছে না এই হত্যাকান্ডের দায় তাদের, যারা নিজেদের অধিনে নামমাত্র নির্বাচন করে জোর করে ক্ষমতায় থাকতে চায় সেই আ’লীগ বা শেখ হাসিনার ! ক্ষমতার লোভে এই সরকার মানুষের এই অসীম আত্বত্যাগ ও হত্যাকান্ডে সামান্যতম মোহত্যাগ করছেনা।

কিছু লোক আজ বলে বেড়াচ্ছে আন্দোলনকারিদের কে রাস্তায় দেখা যায়না, চোরাগুপ্তা হামলা করে কেন, এমনভাবে আন্দোলন হয় কি। আমরা জানতে চাই তারা কি চান আন্দোলনকারীরা সবাই একসাথে গুলি খেয়ে মরে যাক। তারা আরো বলেন আন্দোলনের নেতারা তো রাস্তায় আসে না, আমরা জানতে চাই তারা কি চান আন্দোলনের সকল নেতা গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকুক আর এখানে আন্দোললের করুন সমাপ্তি ঘটুক !!! এদেরকে চিনে নিতে হবে, এরা এই ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনের কৌশলগত প্রতিপক্ষ।
আমাদের মনে রাখতে হবে শোষক শ্রেণী যেমন আচরন ও ভূমিকা গ্রহন করবে তার বিপরীতে আন্দোলনকামী নিরস্ত্র মানুষদের রনকৌশল নির্ধারন করে এগিয়ে যেতে হবে।

তবুও বিএনপি দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছে। এরকম জোর জবরদস্তিমূলক আচরনের প্রতিরোধ জরুরী। সৈরাচারের প্রতিবাদ না হলে অত্যাচার নিদারুনভাবে বেড়ে যাবে। তাই আন্দোলনের দিকেই এগুচ্ছে দেশ।

দুই
Decemder 5. 2013.

আজ হতবাক হলাম ৭১ টিভিতে আওয়ামী জোটের সাংসদ মাঈন উদ্দিন খান বাদলের গলা উচিয়ে জাতীকে ধমকানোর শব্দ শুনে।
তিনি আজ বিএনপি নেতা ব্যারিষ্টার হায়দার আলীকে ধমকের সুরে বলছিলেন, আর বলার সুযোগ পাবেন না। আপনারা আন্দোলনের নামে মানুষ মারছেন, সন্ত্রাস ও দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করছেন, এসব বন্ধ করুন, না হলে ফলাফল ভাল হবেনা। এরকম অনেক কিছুই বলে গায়ের জোরে ধমক দিচ্ছিলেন, যা খুবই অশোভন শুনাচ্ছিল। উনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে মনে হচ্ছিলো তিনি যেন ষাঁড়ের মত জাতীকে ঢুঁস মারবেন।
তার এসব দেখে ইচ্ছা হচ্ছিলো সামনাসামনি প্রতিবাদ করে বলি, কিন্তু আমার সুযোগ ছিল না, আমি সেই টক শো তে ছিলাম না। তিনি বিএনপি নেতাদের কে অর্বাচিন বললেন।
আমি বাদল সাহেবকে বলবো, গলার আওয়াজ নামিয়ে কথা বলা শোভন ও শালীন। গলা নামিয়ে কথা বলুন, নাহলে দেশের মানুষ গলা নামিয়ে দিবে। বিএনপি নেতারা অর্বাচিন নয়, আপনি, মেনন ও ইনুর মত ভাসমান নেতারাই অর্বাচিন। আপনি বড় বড় কথা বলছেন আজ, নৌকা ছাড়া আসুনতো দেখি কয়টা ভোট পান, ১০০ ভোট পাওয়াও আপনার পক্ষে সম্ভব নয়। আপনি,ইনু ও মেনন দের কে তো দেখাই আছে অতীতে একাকী কয় ভোট পেয়েছিলেন। আপনারা গন-বাহিনী করে দেশের মানুষ হত্যা করেছিলেন, ঘুমাতেও দেন নাই। শেখ মুজিব কেও আঘাত করেছিলেন। শেখ মুজিব জীবিত থাকলে আপনারা উপযুক্ত জবাব পেতেন, এ কথা শেখ মুজিবের মেয়ে ভুলে গেলেও দেশের মানুষের মনে আছে। আজ তাঁর অনুপস্থিতিতে নৌকার কান্ডারী সেজেছেন। পশুরাও লজ্জা পায় কিন্তু আপনারা না। কারন নৌকা ছাড়লে আপনারা অতলে হারিয়ে যাবেন। এদেশের কোন মানুষ আপনাদের নামও নিবে না এটা আপনারা ভাল করেই বুঝেন। তাই দালালির মাত্রা সীমা ছাড়িয়ে গেছে।
আপনারা বলেছিলেন বিএনপি আন্দোলন করতে পারবে না, পারলে আসুন বলে বার বার বিএনপিকে আঘাত করেছেন, উস্কানি দিয়েছেন কিন্তু বিএনপি দেশের কথা, দেশের মানুষের কথা ভেবে আন্দোলন না করে স্বাভাবিক ও সরল পথে দাবী আদায় করতে চেয়েছিল। এটাকে আপনারা দুর্বলতা ভেবে তিরস্কার করতেও ভদ্রতা দেখান নাই। বিএনপি যখন বাধ্য হয়েই আন্দোলনে গেলো আর এতে দেশের মানুষ অংশগ্রহন করছে মরিয়া হয়ে তখন বলছেন এমন আন্দোলন তো দেখিনাই, এটা কেমন আন্দোলন, মানুষ মারা যাচ্ছে ইত্যাদি।
হ্যাঁ, মানুষ আপনারাই মারছেন, জোর করে অন্যায় ভাবে ক্ষমতা দখলে রেখে এবং আবার ক্ষমতায় যাওয়ার হীন চেষ্টার কারনেই মানুষ জীবন দিচ্ছে। মানুষ মারছেন অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকার লোভে। পুলিশ-র‍্যাব-বিজিবি দিয়ে গুলি করে পাখির মত মানুষ মারছেন। সত্যি যদি মানুষের জন্য মায়া থাকে তবে গুলি বন্ধ করুন, স্বাভাবিক আন্দোলনে ও মিটিং মিছিলে বাধা দিবেন না, দেখুন কি হয়। রাস্তায় হাটার জায়গা পাবেন না, বের হওয়াতো দূরে থাক।
আবার বেগম জিয়াকে রাজপথে নামতে বলছেন। পুলিশ-র‍্যাব ছাড়া বা গুলি ও গ্রেফতার বন্ধ করে আসুন না, দেশের মানুষ আপনাদের ক্ষমতার স্বাদ মিটিয়ে দেবে এবং এ উদ্ধত্যপূর্ণ ও অশালীন কথার উপযুক্ত জবাব দেবে।

তিন
Decemder 2. 2013.

আজ ২ ডিসেম্বর, তথাকথিত পার্বত্য শান্তিচুক্তির ১৬ তম বার্ষিকী। এই চুক্তি শান্তি আনতে অক্ষম, বৈষম্যমূলক ও সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক বিধায় আমরা শুরু থেকেই এর বিরোধীতা করে আসছি। তৎকালীন বিরোধীদল এই চুক্তির উপর সংসদে এক হাজারেরও অধিক সংশোধনী প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু সরকার তা বিবেচনা না করে মাত্র ১১ মিনিটে সংসদে এই চুক্তি পাশ করে ইতিহাসের এক ন্যাক্কারজনক অধ্যায়ের জন্ম দেয়। এছাড়া বিরোধীদল খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এই চুক্তির বিরুদ্ধে এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ লংমার্চ পালন করে। স্থানীয় জনগন এই চুক্তির বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন করে। এই চুক্তির প্রাক্কালে এর বিরোধীতার জের ধরে সৃষ্ট চুক্তিবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে অনেকেই মারা যায় কেউবা পঙ্গুত্ব বরণ করে। জ্বালিয়ে দেয়া হয় বহু ঘরবাড়ি। সরকার সেসব কে উপেক্ষা করে এই চুক্তি স্বাক্ষর করে। আজ এই কালোচুক্তির ষোলতম বছরে এসে আমাদের বিরোধীতার যথার্থতা প্রতীয়মান হয়েছে। পাহাড়ে অশান্তি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

শান্তিচুক্তিতে বাঙ্গালী তো বটেই, পাহাড়িদের এক বিশাল অংশের মতামতকে সম্পূর্ন উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করা হয়েছে। পার্বত্যবাসীর আশা-আকাঙ্খার বিপরীতে এটি সৃষ্টি করেছে ভাতৃঘাতি সংঘাতের। যেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের দরুন প্রতিদিন ভাই হারা হচ্ছে পার্বত্যঞ্চলের জনগন। পাহাড়ে বৃদ্ধি পেয়েছে সন্ত্রাস, গুম, খুন, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় আর চাঁদাবাজি। এর ফলে বিপন্ন হয়ে পড়ছে পাহাড়ে বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙ্গালীর জীবন।

সরকার আঞ্চলিক দলগুলোর অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না করে, তাদের সমস্ত আইন-শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ডের বিষয়ে নিরব ভূমিকা পালন করে মূলত সেসবের ‘আন-অফিসিয়াল’ বৈধতা দিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে অপরাধ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার প্রতিফলন প্রধানমন্ত্রীর খাগড়াছড়ি সমাবেশে বাঁধা দানের মাধ্যমে প্রতীয়মান হয়েছে। বিপরীতে প্রধানমন্ত্রী তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিলেন এবং প্রশাসন তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিল। এর ফলে পরিস্থিতি আরও জটিলতর ও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

বলা হয়ে থাকে, সংঘাত নিরসনের সবচেয়ে উত্তম উপায় হচ্ছে, সমঝোতায় সকল পক্ষের অংশগ্রহন ও সুযোগ-সুবিধা সমভাবে নিশ্চিত করা। আমরা মনে করি, সময় এসেছে পাহাড়িদের সকল পক্ষ ও বাঙালিদেরকে নিয়ে সমঝোতায় উপনীত হওয়ার। তাহলেই পাহাড়ে শান্তির সুবাতাস বইবে।

চার
November 28. 2013.

লাটভিয়ায় সুপার মার্কেট ধসে ৫৪ জন মানুষ মারা গেছে, আর এই ঘটনাকে একটি ট্রেজেডির রাজনৈতিক দায় উল্লেখ করে, এর দায় কাঁধে নিয়ে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ভালদিস ডোওমব্রোওসকিস আজ পদত্যাগ করেছেন। একই সাথে তাঁর সরকারও বিদায় নিয়েছে।
কি নির্মম আমাদের দেশের রানাপ্লাজা সহ এ রকম শত শত ট্রেজেডিতেও আমাদের প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ তো করেনিনাই বরং মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে রেখেছেন এবং ক্ষমতায় ফিরে আসার ষড়যন্ত্র করছেন। এর বিরোদ্ধে আন্দোলনকামী অগনিত মানুষদের গুলি করে হত্যা করছেন।
হ্যাঁ, আমাদের প্রধানমন্ত্রীও সহসা পদত্যাগ করবেন কিন্তু তিনি তাঁর ছায়া প্রধানমন্ত্রী হিসাবে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরীকে দায়িত্ব দিচ্ছেন বলে জানা যায়।
কিন্তু আন্দোলনকারীদের পক্ষে কি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ছায়া প্রধানমন্ত্রী মেনে নেয়া সম্ভব, সম্ভব নয়।
কারন প্রথম থেকেই বিরোধীদল ও আন্দোলনের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের দাবী করে আসছেন। আন্দোলনকামী মানুষ কোন দলীয় ব্যক্তিকে দলীয় প্রধানমন্ত্রীর বিকল্প প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মেনে নিবেনা।

পাঁচ
November 21. 2o13.

মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত গতকাল বললেন “আম আর আমলকী এক জিনিস না”।
এটা বলে তিনি বুঝাতে চেয়েছেন “আওয়ামী লীগ আর জাতীয় পার্টি এক জিনিস না”।
তিনি হয়ত জানেন না টক+মিষ্টি আমগুলো অনেক স্বাদ।
খাগড়াছড়িতে আমাদের সরকারের সময় দরিদ্র পরিবার গুলোকে আম্রপালি নামের এক জাতের আমের প্রকল্প দিয়েছিলাম যা অনেক অনেক মিষ্টি, যেন টক-মিষ্টির মিলনে আমটি ভোক্তাদের কাছে অত্যন্ত সুস্বাধু ও আকর্ষনীয় হয়ে উঠেছে। উৎপাদন হওয়ার সাথে সাথে বাগান থেকেই আমগুলো বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এ আমের জন্য ক্রেতারা বাগান মালিকের সাথে আমের মুকুল আসার আগেই অগ্রিম বুঝাপড়া করে রাখে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে এ আম দ্রুত রপ্তানী হয়ে যাচ্ছে। এতে আজ পাহাড়ের হাজার হাজার পরিবারের আয়ের প্রধান উৎসে পরিনত হয়েছে এই আম। বছরে অনেক টাকা তারা উপার্জন করছে।

মন্ত্রীর কথার সূত্র ধরে আমি এইখানে বুঝাতে চাই, মিষ্টি আমের সাথে আমলকী একত্র করে ব্লান্ডার মেশিন দিয়ে জুস বানালে বুঝাই যাবেনা এ জুসে আমের সাথে আমলকী ছিল কিনা !! কিন্তু যিনি এই জুস বানিয়েছে আর যারা দেখেছে তারা বুঝতে পেরেছে এখানে আমের সাথে আমলকী একাকার হয়ে আমলকীর অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলেছে। এতে বরং এটি অন্য রকমের একটি জুস হয়ে যাবে, যা দেশের সংবিধানে দুঃখিত কোন কৃষি গবেষনা পুস্তকে লিখা নাই। এক্ষেত্রে আম এবং আমলকী একে অন্যের পরিপূরক উপাদান হয়ে গেল !!!
তেমনি ১৪টি দলের সরকার, তথাকথিত সর্বদলীয় সরকারের নামে আওয়ামী লীগের সাথে জাতীয় পার্টি সহ বাম দল গুলো একাকার হয়ে এক দলীয় মিষ্টি-গুড় এর সরকারে রুপান্তরিত হয়ে গেল, যা জনগন খেতে না পারলেও, এই গুড় অন্তত পিপীলিকার খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে এবং এই মিষ্টি-গুড় দিয়ে এ সরকার তাদের পরিকল্পিত হীন স্বার্থ উপার্জন করবে।

ছয়
November 13. 2013.

…………… জিয়া’র বাড়ি
আজ ১৩ নভেম্বর, আমাদের কষ্টের একটি কালো দিন। এই দিনে আমার-আমাদের শহীদ
নেতা জিয়া’র শেষ স্মৃতি টুকুও তারা কেড়ে নিলো, বিলীন করে দিতে চাইলো। তারা জানেনা জিয়ার স্মৃতি কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে গাঁথা, এ দেশের মাটির সাথে, কৃষকের হালের সাথে, প্রতিটি জনপদে, প্রতিটি গ্রামে তাঁর পদচিহ্ন। প্রায় মানুষের হাতে তাঁর হাত। হাতে তাঁর হাতের গন্ধ। হাসিনা বুঝেনি এই গন্ধ জিয়ার হাতের সু-গন্ধ। এ দেশের মানুষের হাত ও হৃদয় থেকে তা কখনও মুছা যাবেনা !
বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রতীক, আমাদের অহংকার ও প্রেরণার উৎস। জিয়ার স্মৃতি নিয়ে তিনি বসবাস করে আসছিলেন সেই মঈনুল রোড়ের বাড়িটিতে। যে বাড়িতে তাঁর স্বামীর প্রায় ৫০ বছরের স্মৃতির মাতামাতি, প্রিয় সন্তান তারেক-আরাফাতের জন্ম ও বেড়ে উঠা। শুধু তাই নয়, জাইমা সহ তাঁর স্নেহের নাতনিদের জন্ম ও হেটে চলা, দাদী-নাতনিদের কতনা স্মৃতিকথা সেই সেনানিবাসের মঈনুল রোড়ের বাড়িটি !! এই বাড়ি থেকেই তিনি যেমন একজন গৃহবধু, একজন মা, একজন দাদী থেকে মাঠের লড়াকু সৈনিক হয়ে প্রবল আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আপোষহীন নেত্রীর অলংকারে ভূষিত হয়েছেন। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও আজকের দেশনেত্রীতে রুপান্তরিত হয়েছেন।
৬ নং এই বাড়িটি শুধুমাত্র কয়েকটি ঘরের সমষ্টি নয়, শুধুই আঙ্গিনা জুড়ে থাকা ফুলের বাগান নয়, শুধুই দিন-রাত্রীর বসবাসের একটি ঠিকানা নয়, এটি একটি ইতিহাস। এ বাড়ি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের সূতিকাগার। এ বাড়ির প্রতিটি ইট-পাথরে মিশে আছে বাংলাদেশীদের আবেগ ও প্রত্যাশার মানচিত্রের নকশীকাঁথা।
আজ সেই কালোদিন ভুলতে পারিনা, পারবোনা। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধুমাত্র প্রতিহিংসা ও জনপ্রিয়তার পরশ্রীকাতরতায়, দেশ মাতৃকার নেত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি জিঘাংসার সর্বনিম্ন স্তরে নেমে প্রতিশোধের থাবা দিয়ে একজন মা, একজন দাদী ও একজন শীর্ষ জনপ্রিয় নেত্রী বিরোধী দলীয় নেতাকে অতি সাধারন পথমানুষের চেয়ে অরুচিকর আচরনের মাধ্যমে রাতের অন্ধকারে টেনে হেঁচড়ে জোর করে এক কাপড়ে সেই বাড়ি থেকে বের করে দিল। এর ক্ষমা জাতি করতে পারেনা। যদি এ জাতির নুন্যতম মানবিক মূল্যবোধ থেকে থাকে তবে গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এর প্রতিশোধ নিবে এ দেশ, সেদিন আর বেশী দূরে নয়।
এই আচরন ও আক্রমনের মধ্য দিয়ে শুধুমাত্র খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে এ বাড়ি থেকে বের করে দেয় নাই, এই বাকশালী সরকার ও এর নেত্রী সকল প্রকার মানবিকতা, মূল্যবোধ ও সরকারপ্রধান সূলভ আচরনকে জলাঞ্জলি দিয়ে শহীদ জিয়ার মুক্তিযুদ্ধের ভূমিকা ও নব বাংলাদেশের উন্নয়নের অতীত ধারাকেও মুছে দিতে চেয়েছে, তাই শহীদ জিয়ার বাতিঘর এই বাড়ি থেকে তাঁর স্ত্রী ম্যাডাম জিয়াকে এক কাপড়ে বের করে দিতে এতটুকু বিচলিত হয়নি !!!
আজ সেই ১৩ নভেম্বর। আমরা, জাতি ও আগামী প্রজন্ম এই দিনটি ভুলে যাবো না, ভুলে যেতে পারবো না।
তাই বিদ্রোহী কবি নজরুলের সেই কবিতা উচ্চারিত হোক আজঃ
"অশান্তি-কামী ছলনার রুপে জয় পায় মাঝে মাঝে,
অবশেষে চির-লাঞ্চিত হয় অপমানে আর লাজে !
পথের উর্ধ্বে ওঠে ঝোড়ো বায়ে পথের আবর্জনা
তাই বলে তারা উর্ধ্বে উঠেছে কেউ কভূ ভাবিও না !!
উর্ধ্বে যাদের গতি, তাহাদের পথে হয় ওরা বাঁধা;
পিচ্ছিল করে পথ, তাই বলে জয়ী হয়না কাদ"

সাত
Nobember 13. 2013

হাতিরঝিলে কিছুক্ষন আগে আলো ও বারুদের উৎসব হয়ে গেল,
দেশের মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছেনা, দেশের এই চরম অস্থির অবস্থায়
তিনি ও তেনারা এত বিদ্যুৎ ব্যয় করে, আতসবাজি-বারুদে
ঝলসানো উৎসব দেখার আগ্রহ ও করার অর্থ কি ?
কয়েক জন বললেন বোধ হয় উনাদের বিদায়ের অনুষ্ঠান !!
আমি বললাম তাই বলে এত বড় ব্যয়বহুল উৎসব করতে হবে ?
উত্তরে উনারা বললেন কি আর বলবেন
এত বড় একটা সফল সরকারের বিদায় বলে কথা,
তাও আবার কতদিনের জন্য বিদায় তার ঠিক নাই,
উৎসব তো একটু বড় হবেই !!!!!!!!!

আট
November 12. 2013.

মাথায় যাদের চুল থাকেনা তাদের বুদ্ধি নাকি মাথার পেছনে থাকে,
আর যাদের মাথায় চুল থাকে তাদের বুদ্ধি থাকে সামনে ।

নয়


দশ
September 28. 2013.

প্রকৃ্তি নেপালকে দিয়েছে হিমালয়। যা তাদের রাষ্টিয় আয়ের প্রধান উৎস।
কানাডায় প্রকৃ্তিরদান নায়েগ্রা জলপ্রভাত। যা তাদের আয়ের অন্যতম উৎস।
মধ্যপ্রাচ্য কে তেল।

আমাদের কি আছে ???
সুন্দরবন, পার্বত্য চট্রগ্রাম ও কক্সবাজার।
সুন্দরবন শুধু আমাদের শোভা নয় !
আমাদের জীবন।পরিবেশ, প্রকৃ্তি, বিশ্ব প্রতিযোগিতার ইভেন্ট এবং আমাদের অহংকার।
এটা রামছাগলেও বুঝে,ওরা কেন বুঝেনা !!!!!

বিদুৎ এর প্রয়োজনিয়তা অতীব জরুরী।
তাই বলে কি সুন্দরবন ধংস করে দিতে হবে ?
দেশের অন্য যে কোন জায়গায় কি এই বিদ্যুৎ প্রকল্প করা যায়না ?

এগার
September16. 2013.

চোরাবালি !
মানচিত্রে চোরাবালি !!
বাংলাদেশের মানচিত্রে চোরাবালি
উদ্ধারে উৎকন্ঠা !
প্রত্যাশায় প্রত্যাশিত
ত্রানকর্তা !!! ।

বার
September 12. 2013.

তোমরা যতই আমাকে বিরোধিতা ও বাধা দাওনা কেন, গরীব মানুষদের থেকে এ আমার প্রাপ্তি। এ যেন সমুদ্রের মত বিশাল, পাহাড়ের মত উচু, চীনের প্রাচিরের সমান লম্বা। অতএব…………………………………………

তের
November 18. 2013.

কেউ মনোবল হারাবেন না, হতাশ হবেন না।
অত সহজে ছাড়া হবে না।
সামনে দেশে আরো কিছু তামাশা দেখবেন,
কিন্তু তা সাময়িক। প্রস্তুত থাকুন, অন্যকে রাখুন

চৌদ্দ
November 15. 2013.

আগে জানতাম এরশাদ সাহেব সকালে এক কথা বলতেন তো বিকালে আরেক কথা বলতেন।
এখন দেখছি সকালে এক কথা, বিকালে এক কথা, আবার দুপরে আরেক কথা বলেন

পনর
December 2. 2013.

প্রধানমন্ত্রী: ‘আপনি কান্না কইরেন না…’
গীতা: ‘আমরা ভালো সরকার চাই…আমরা অসুস্থ সরকার চাই না। আমরা ভালো সরকার চাই…আমরা অসুস্থ সরকার চাই না…’
প্রধানমন্ত্রী: ‘এটা তো সরকারের…’

গীতা: ‘আমরা অসুস্থভাবে আমাদের সন্তানকে বড় করতে চাই না। আমরা আর অসুস্থ থাকতে চাই না। আমরা একটা ভালো সরকার চাই। ওরা কেন আমাদের মারে? আমরা তো ওদের ক্ষতি করি নাই। আমরা তো কিচ্ছু করি নাই, আমরা তো যাচ্ছিলাম, আমরা তো ওদের চিনিও না। আমরা খালেদারেও চিনি না, হাসিনার কাছেও যাই না। আমরা যার যার সংসার নিয়ে থাকি, আমাদের কেন মারে ওরা?…দিদি, আপনি এগুলার বিচার করেন, এগুলার বিচার করেন, আর সহ্য হয় না। কতলোক এইখানে আছে, আমরা সবাই অসুস্থ…। আমরা এখন খালি আগুন, আগুন ভয় লাগে, আমরা আগুন দেখলে এখন ভয় লাগে, মনে হয় আগুন জ্বলতেছে আমার সামনে…। ওরা আমাদের এই কষ্ট বোঝে না…’

গীতা সরকারের স্বামী গোপাল সরকার বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির কারিগর। দুই মেয়েকে নিয়ে পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে তাঁদের বাস। এই দম্পতির ছোট মেয়ে সুস্মিতা সরকার বেসরকারি টেলিভিশন ইটিভির মুক্ত খবর অনুষ্ঠানের খুদে সাংবাদিক হিসেবে কাজ করে। বৃহস্পতিবার সুস্মিতাকে নিয়ে বিহঙ্গ বাসে চড়ে কারওয়ান বাজারে ইটিভির কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন গীতা। এর মধ্যেই অবরোধ চলাকালিন আগুনে পুড়ে যান বাসযাত্রী গীতা-সুস্মিতাসহ ১৯ জন।

ষোল
November 20. 2013.

মিডিয়া এই মন্ত্রীসভা কে সর্বদলীয় সরকারের মন্ত্রীসভা বলছে, সরকারের সাথে সুর মিলিয়ে। আমি বলতে চাই, মহাজোট গঠনের সময়ই এরশাদ সহ সকল শরিক দলকেই এ সরকারের অংশিদারিত্ব তথা মন্ত্রীত্ব দেয়ার কথা ছিল। তখন আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিকে কথা অনুযায়ী মন্ত্রীত্ব বা প্রেসিডেন্ট পদ দেয় নাই, বা এরশাদ কে রাষ্ট্রের বৈদেশিক দূত নিয়োগ করে নাই।
এই কারনে দীর্ঘদিন এরশাদের মনোকষ্ট ছিল। আজকের তথাকথিত সর্বদলীয় মন্ত্রীসভা গঠনের মাধ্যমে সেই ৫ বছর আগের পরিকল্পিত মহাজোটের মন্ত্রীসভা গঠিত হয়েছে মাত্র। আর এর মাধ্যমে এরশাদের আশা ও জাতীয় পার্টিকে দেয়া আওয়ামী লীগের অঙ্গীকার পূরন হলো, এটা সর্বদলীয় মন্ত্রীসভা নয়। এটি মহাজোটের মন্ত্রীসভা, কারন পুরোনো অনেক মন্ত্রী পুরোনো শপতের বৈধতার দাবী নিয়েই এই মন্ত্রীসভায় থাকছে। পুরাতন মন্ত্রীসভায় নতুন মন্ত্রীরা যোগ হচ্ছে মাত্র। অথাৎ এরা সবাই মহাজোটের শরিক, এমপি এবং ৫ বছর আগে থেকে চলে আসা সংসদের সংসদ সদস্য।

সতের
November 17. 2013.

একজন কোন না কোন কারনে, মনের কষ্টে কাঁদচ্ছিল, আবার নিজেই কান্নারত অবস্থায় নিজের ছবি উঠালো। সে দেখতে চাইলো কান্না অবস্থায় নিজেকে কেমন দেখা যায় !
আরেকজন বলেছিল তার নাকি কান্না পেলে/আসলে সে নাকি তার ঘরে গিয়ে প্রথমে সিলিং ফ্যান টা জোরে ছেড়ে দিয়ে, বিচানায় শুয়ে, কোল বালিশ টা বুকে ধরে তারপর কান্না শুরু করতো। কান্নার আগে আয়েশি এক প্রস্তুতি !!
আমার মনে হয় কান্না এবং অন্যকিছু আসলে এ ক্ষেত্রে একসাথে হবেনা। কান্নার মূহুর্তে যখনই মানুষটি ক্যামেরা হাতে নিবে তখনই কান্নার প্রকৃত রূপ থেমে যাবে। কান্নার আগে প্রস্তুতি নিয়ে ফ্যান ছাড়া, বালিশ বা ক্যামেরা নেয়ার চিন্তা মাথায় আসার সাথে সাথেই কান্নার যে মানবিক প্রভাব ও আবেদন তা অবশ্যই থেমে যাওয়ার কথা। তাহলে আমার প্রশ্ন জাগে এত প্রস্তুতি নেয়ার পর তারা কাঁদলো কি করে ??

আঠার
November 10.2013

তেনার নাকি কান্না পাচ্ছে, মানুষের এ মরনে নাকি উনার চোখে জল আসছে যে।
খবরটা শুনে একজনে বললো “চৈতা পাগল কোথাকার” !!

উনিশ
November 8.2013

আমাদের দেখা অদেখা, চেনা অজানা এমন হাজার, লক্ষ মানুষ আছে,আছে পরিবার। তাদের অনেক ত্যাগ আছে। আছে ত্যাগের অসিম বেদনা। এদের অনেকেই দেশের জন্য নির্মম নিষ্ঠুরতায় হারিছেন অতি আপনজন কে। কেউ বলী দিয়েছেন, উৎসর্গ করেছেন নিজ স্বামী-সন্তান, পিতা-মাতা বা ভাই-বোন। আমাদের স্বাধীনতায় এবং বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে ঘটে যাওয়া এমন ক্ষতিগ্রস্তরা আজো এই কষ্ট যন্ত্রনা বয়ে বেড়াচ্ছেন, আমরা তাদের সন্মান জানাই, জানাই সমবেদনা। আশাকরি চিরদিন জাতি স্বরন করবে তাদের এবং তাই করা উচিৎ।
কিন্তু কঠিন ভাবে আহত হই, লজ্জা পাই তখন, যখন দেখি এই বরণ্য আত্বা গুলোর উত্তরসূরিরা তাদের নিয়ে সওদা করে। রাষ্ট্রের শীর্ষ থেকে নিন্ম পর্যন্ত অনেকেই কারনে অকারনে, প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে তাদের বিদায়ী স্বজনদের প্রসংগ টেনে এনে অন্যদের দৃস্টি আকর্ষণ করতে চায়। এতে ধারনা জন্ম নেয় এই জাতিয় মানুষ গুলো এক ধরনের সহানুভূতি পেতে চায় তাদের আত্বহূতি দেয়া পূর্বসূরিদের পন্য হিসাবে ব্যবহার করে যত্রতত্র। এতে মাঝে মাঝে আমাদের মনে উকি দেয়, গত হয়ে যাওয়া মানুষ গুলোর বর্তমান স্বজনরা এইযে সহানুভুতির ভিক্ষার থালা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কি তাদের উদ্দেশ্য ? মনে হয় দেশের ও জাতির প্রয়োজনে আত্বদান কারী মানুষদের কথা সঙ্গত কারন ছাড়া বিরক্তিকর ভাবে তুলে এনে নিজেদের ঘরে আর্থিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে ফায়দা তুলতে চায়, যা ওদের ব্যক্তিগত ও নিজস্ব যোগ্যতা নাই। তাই হয়ত এমন করছে এরা। অবশ্য এই সওদা, ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে গুটি কয়েক ব্যক্তি ও পরিবার করে বেড়াচ্ছে। বাকিরা নির্ভাক। আমরা হতবাক।

বিশ
November 8.2013

এবারের নোভেল জয়ী
লেখক এলিস মানরোর আত্নজৈবনিক Dear Life "প্রিয় জীবন" লেখাটি পড়ে একটা মন্তব্য করতে ইচ্ছে হল।
অনুবাদক নুসরাত সুলতানাকে ধন্যবাদ।

লেখক ভদ্রমহিলা সাবলিল ও সহজ ভাষায় তাঁর ইচ্ছা গুলো অত্যন্ত পরিস্কার করে তুলে ধরেছেন। মনে হয়েছে খুবই সাধারন লেখা কিন্তু না, তাঁর লিখা থেকে চোখ ও মন একেবারেই সরানো যায়নি। আমার মনে হয়েছে হয়ত এটাই লেখক কে বেশী মার্ত্রায় সফল করেছে।
লেখায় স্কুল জীবনে লেখক কে মায়ের অভিযোগে বাবা, বার বার মারপিঠ করেছে এই কথাটা বারে বারে তুলে এনেছেন, হয়ত এটাই লেখকের একটা অন্যতম কষ্ট ছিল। অবশ্য তিনি তা পুরোপুরি তুলে ধরেননি বা পারেননি, হয়ত বাবা-মা এই বিবেচনায়।

একুশ

জিয়া আমাদের হীয়া,
ক্ষনজন্মা জিয়া,
ভুলতে পারবেনা দুনিয়া।
জিয়া আমার নেতা, জনতার নেতা।
ম্যাডাম জিয়া ও তারেক জিয়ার প্রেরনা।
জিয়ার কর্ম দিয়া,
থাকতে পারবেনা হাসিনা।।
এখনও বুঝবেনা হাসিনা,
বুঝবে লোভের মাসুল দিয়া

বাইশ
November 6.2013

পার্বত্য চট্রগ্রাম জনসংহতি সমিতি – জে এস এস’র খাগড়াছড়ি জেলার, মানিকছড়ি উপজেলার সভাপতি পেশকা মারমাকে গতকাল ০৪,১১,২০১৩ রাত ৯ ঘটিকায়, তার নিজ বাড়ির সামনে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এলোপাথাড়ি গুলি করে হত্যা করে।
আমরা এ হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নিহতের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। আমরা এ জাতীয় সকল প্রকার হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি এজাতীয় অস্ত্রধারীদের গ্রেফতার পূর্বক পাহাড় থেকে সকল অস্ত্র উদ্ধার করা হোক।
উল্লেখ্য ১৯৭৪ থেকেই সশস্ত্র সন্তাসী গ্রুপ গুলো এ জাতীয় ঘটনার মধ্যদিয়ে পাহাড়ে হাজার হাজার পাহাড়ী-বাংগালি দের হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে আসছে। এরা শান্তি ও উন্নয়নের অন্তরায়। এই বর্বরতা থামাতে হবে, এ আর চলতে দেয়া যায়না।

তেইশ
November 05. 2013.

শুভ সকাল।
অনেকদিন থেকে একটি মানুষের প্রতি আমার চরম আগ্রহ কাজ করছিল, প্রায় ২০ বছর হবে। তখন তাঁর বিখ্যাত অনেক লেখার মধ্যে কিছু লেখা আমি পড়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। এতে ধীরে ধীরে তাঁর প্রতি আমার আগ্রহ বাড়তে থাকে। আমি দিন দিন তাঁর লিখার প্রেমে পড়ে যাচ্ছিলাম, ফলে তাঁকে দেখার আকর্ষণ থামাতে পারছিলামনা ! তখন মিডিয়ার এত প্রভাব ও মাধ্যম ছিলনা তাই তাঁকে দেখার ক্ষুধা থেকেই গেল।
ওয়ান ইলেভেনে কারাগারে অন্তরীন থাকা কালিন আমার বেশীর ভাগ সময় কাঠতো কোন না কোন বই পড়ে, এমনি একদিন “লালন” এর উপর গবেষণা মূলক একটি বই আমার হাতে আসে, আমি অধীর আগ্রহ নিয়ে বইটি পড়া শুরু করলাম, বইটা তে ভীষণ এক আকর্ষণ অনুভব করছি আর মনে মনে ভাবছি যদি লেখকের সাথে একবার দেখা হত একটু শান্তি পেতাম, মনে মনে উত্তর এলো কখনও হয়ত এই লেখকের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ আমার আসবেনা, কারন ১/১১ কুশলীবদের নির্দ্দেশনায় মিথ্যা ও সাজানো মামলায় পাতানো অবৈধ জরুরি আইনে আমি কারাগারে আটক। এই অবৈধ জরুরি সরকারের বিদায়ের সম্ভাবনাও তেমন উজ্জ্বল নয়। কতদিন থাকতে হবে তাও অজানা, তাহলে কি করে আমার সাথে আমার প্রিয় লেখক, কলামিস্ট ও গবেষকের দেখা হবে। ধরেই নিলাম জীবনে আর কখনই এই প্রিয় মানুষটির সাক্ষাৎ পাবোনা।
আমি ফরহাদ মজহারের কথা বলছিলাম।
তিনি বর্তমানে দেশের একজন খ্যাতিমান ও প্রগতিশীল লেখকই শুধু নন তিনি একজন নির্ভেজাল বুদ্ধিজীবি। তত্ত্বীয় চিন্তার একজন মানুষ। এদেশে মার্কসীয় ভাবধারার অন্যতম পুরোধা। কথা বার্তায়, চলনে-বলনে, চিন্তা চেতনায় একজন ভিন্ন মাত্রার মানুষ। চিন্তা করার ক্ষমতা, প্রকাশের সাহস, উপস্থাপনে রয়েছে তার আলাদা বৈশিষ্ট ও তেজ কিন্তূ ভিন্ন মত ও পথের মানুষের সাথে সহঅবস্থানে তাঁর রয়েছে দারুন উৎসাহ। তিনি বাকস্বাধীনতায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। এত গুন থাকার পরও তিনি নিজেকে সুশীল ভাবতে প্রছন্দ করেননা ! তিনি নাগরিকাধিকার ও মানবাধিকারের কাজ করেন। একজন নিরাপত্তা বিশ্লেষক।
আদিপত্যবাদ, সাম্প্রসারনবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তাঁর কঠিন ও অনড় অবস্থান। তিনি দেশের সম্পদ।
অথচ এখন এমন একটি মানুষকে ধংস করে দিতে চায়, চায় তাঁর কন্ঠ ও কলম ট্যাংক দিয়ে গুড়িয়ে দিতে। কারন তিনি শাসক গোষ্টির কঠোর সমালোচক। সরকার যখন নিপীড়কের ভূমিকায়, যখন মানবাধিকার দমনের হলি খেলায় মেতে উঠে ও স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্টা করে তখন তিনি চুপ থাকাকে জ্ঞানি নাগরিকের অসততা মনে করেন এবং তিনি বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তায়, লেখায় ও টকশোতে রুখে দাঁড়ান। এটাই তার অপরাধ তাই সরকার পক্ষ চায় তার গলা টিপে দিতে, চায় তাকে থামিয়ে দিতে, এই ভাবনা ও প্রত্যাশায় বর্তমান সরকার ও সরকারের বিশেষ অংগগুলো এহেন হীন চেষ্টা চালাচ্ছে।
অসহায় ও অধিকারহারা মানুষের বিপক্ষে যখন মিডিয়া দাঁড়ায়, ভিন্ন মত কে রাষ্ট্রের সহযো্গী হয়ে মিডিয়া যখন উপড়ে ফেলতে চায় ও সীমান্ত হত্যায় তিনি যখন চুপ থাকতে পারেননি, ভিন্ন মতের সাংবাদিকদের যখন সরকারের সহায়তায় হত্যা করা হয়, রাজনৈ্তিক খুন,গুম, বিচার বহির্ভূত হত্যা, আইনশৃংক্ষলা বাহিনীর হাতে প্রতিবাদি মানুষ প্রাণ হারায়, তিনি যখন বিরোধী দলীয় নেতাকে গনতন্ত্র রক্ষায় আপোষহীন থাকার আহবান জানায়, মাহমুদুর রহমানের মুক্তির দাবীতে সোচ্চার হয়েছেন, ভিন্ন মতের বন্ধ করে দেয়া মিডিয়া খুলে দেয়ার জোর দাবী তোলেন, মানবাধিকার সংগঠন অধিকার কে সমর্থন জানিয়েছেন, তখনই আজ রাষ্ট্রযন্ত ও এর সহায়ক গোষ্টি সমূহের আক্রোশের শিকার ফরহাদ মজহার। তিনিতো শুধু দেশের ক্ষেত্রে নয়, আফগানিস্থানে সোভিয়েত আগ্রাসনের সময় ছিলেন প্রচন্ড প্রতিবাদী। আবার আমেরিকার আগ্রাসনের সময়ও তিনি ছিলেন প্রতিবাদিদের অন্যতম। ইরাক হামলায়ও আমরা তাঁকে প্রতিবাদি সৈনিকের ভূমিকায় দেখেছি। অ্থচ সেই সময় এদেশের কতিপয় বামপন্থীরা সোভিয়েতের তো নয়, শুধু মাত্র মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। সোভিয়েতের সমর্থন যুগিয়েছেন। ইরাক আগ্রাসনে, ইরাক-ইরান যুদ্ধেও আমাদের বামপন্থীরা নিরব ছিলেন। মিশর প্রশ্নেও বাম্পন্থীরা সামরিক শাসন চেয়েছিলেন, নির্বাচিত সরকার উৎখাতে অনুপ্রানিত হয়েছেন। অথচ নিজ দেশে টক শোতে দেয়া তাঁর বক্তব্যের অপব্যাখ্যা দিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে, তাঁকে বানিয়ে দেয়ার চেষ্টা হচ্ছে আইএসআই এর চর। যাদের বক্তব্যই আওয়ামীলিগের বিপক্ষে যাবে তাদেরকেই এসব কালিমা দিয়ে কন্ঠ রোধ করার এক হীন চেষ্টা।
এখন এ লড়াইয়ে তিনি সম্মুখ সমরে। আমরা মনে করি এ লড়াইয়ে তিনি একা নন। আমরাও আছি তাঁর সাথে, দেশের হাজারও লক্ষ বিবেকবান মানুষ আছে তাঁর পাশে।
তাই বলবো ফরহাদ মজহার তুমি একা নও, লড়ে যাও স্বাধীনভাবে কথা বলার ও দাবি করার সুযোগ অবারিত করার এই সংগ্রামে।
ফরহাদ মজহার কেন, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া জগতের যে কেউ আওয়ামীলীগের বিপরিতে গেলেই তাদের রেহাই নাই, যেমন কয়েকদিন আগে জনপ্রিয় শিল্পি ন্যান্সি তার পছন্দের নেত্রীর পক্ষে দু’কলম ফেইজ বুকে পোস্ট দিওয়েছেন তখনি এ সরকার পক্ষিয়রা তার জীবন হুমকির মূখে নিয়ে গেছে !!
অথচ মিডিয়া জগতের কবরী, মমতাজ ও তারানা হালিম’রা সরাসরি আওয়ামীলীগ দলভূক্ত হল তখন তাদের কে কেউ সামান্যতম কটাক্ষ পর্যন্ত করে নাই। ফরহাদ মজহার ও ন্যান্সিদের মত ভাবনা ওদের বিপক্ষে গেলেই তারা বাঁচতেও পারবেনা !!! এ কেমন গনতন্ত্র, এ কেমন নির্যাতনকারী সরকার ? আবার দাবী করে তাদের হাতে নাকি নিরপেক্ষ নির্বাচন ও গনতন্ত্র নিরাপদ !!!!

চব্বিশ
September 16. 2013.

তুমি নিরাপত্তায় নিরাপদ থাক
মেঘের কোনে
নরের মনে
অথবা
নির্জনে মৌবনে

পঁচিশ


September 30.2013
অচিন পাঁখি তোরে নিয়ে হলো এক জ্বালা !!

মা, মা, মারে
তোরা কোথায় গেলি আমায় ছেড়ে?
যাবে কোথায়, চন্দ্রে ?
সেতো বহু আগেই আবিস্কার করেছে মানুষরা,
যাবে কোথায়, ওপারে?
সেটাতো মাত্র এক হাত
সেথায় আসবো আমি
পালাবে কোথায় অমনি?
ছাড়বোনা আমি!
বড়ো ভালোবাসি আমি।
হয়েছি আমি তোদের কাংগাল
বানাতে পারবিনা আমায় বাংগাল।
আমি যে তোদেরই কাংগাল।।

ছাব্বিশ
October 28.2013

"আমরা মনে করি সরকারের লোকজনই হরতালে বোমা/ককটেল হামলা চালাচ্ছে।"
অথছ আন্তর্জাতিক মহলের সমর্থন যাতে বিএনপি’র দিকে না যায়,
সেজন্য গত কয়েকদিন যাবত সরকার বিশেষভাবে প্রচার চালাচ্ছে, ধর্মীয় উগ্রপন্থীরা
চলমান আন্দোলনের নামে দেশে বোমা হামলা চালাচ্ছে এবং জঙ্গিগোষ্ঠী এদেশে
জায়গা করে নিচ্ছে।
সাম্প্রতিক কালে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্য ও জঙ্গি আস্তানায়
অভিযানের নামে খবর গনমাধ্যমে প্রচার করাচ্ছে।
এতে সরকার আন্তর্জাতিক মহলে এই বার্তাই দিতে চায়, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ স্থায়ীরুপ নিবে এবং বিএনপি জঙ্গিবাদের সহায়ক রাজনৈতিক
শক্তি।
অতএব আপনারা আমাদের [আওয়ামীলিগ] কেই ক্ষমতায় টিকে থাকার সুযোগ
করে দিন।
এ বিষয়ে বিরোধী দলের সংশ্লিষ্টদের সজাগ ও সতর্ক পদক্ষেপ গ্রহনের
আহবান জানাচ্ছি।

সাতাশ
October 25.2013

আজ আমার এক প্রিয় মানুষ আমাকে অনেক অনেক কষ্ট দিল, যা কোন দিন ভুলতে পারবোনা,
কোন দিন তাকেও ভুলতে পারবোনা।
গত পরশু সে আমাকে ফোন দিল। আমি একটা গুরুত্বপূর্ন অনুষ্ঠানে থাকায় তার ফোন রিসিভ করতে পারছিলামনা। সে call দিয়েই যাচ্ছিলো, কল রিসিভ করার মতো পরিবেশ আমার ছিলনা। আমি জানি সে ফোন করে সামান্য কিছু কথা ও কৌশলাদি করার জন্য, এর বেশী কিছুনা। সে কল দিয়েই যাচ্ছে, থামছেনা, এক পর্যায়ে আমি তার কল রিসিভ করে কথা না বলে তাকে অনুষ্ঠানের শব্দ ও পরিবেশগত অবস্থা বুঝানোর চেষ্টা করলাম, তাও সে বুঝতে পারচ্ছেনা। সে প্রায় ৪০/৫০ বার কল দিয়েছে। আমি রিসিভ করতে পারলামনা। অবশ্য আমি জানি সে একবার কল দিলে না ধরা পর্যন্ত একসাথে বার বার কল দিতেই থাকে। এটাই তার রেওয়াজ। যানিনা তার রেওয়াজটা সবার ক্ষেত্রে নাকি শুধুই আমার ক্ষেত্রে। মনে হয় সে শুধু আমার বেলায় এ রকমটা করে। বোধহয় আমার উপর তার অধিকার ও ভালবাসাটা বেশিই ছিল।
গতকাল রাত তখন প্রায় ১০ টা, তখন আমি গাড়ি ড্রাইভে ছিলাম। সে আবার কল দিল,রিসিভ করতে পারচ্ছিলামনা। ২/৩ বার কল দেওয়ার পর আমার মনে পড়লো সেতো থামবেনা, আমি গাড়ি চালানো অবস্থায় তার কল রিসিভ করলাম। সে জানতে চাইলো আমি ভালো আছি কিনা ? দেশের অবস্থা কোন দিকে যাচ্ছে ? আর আমি যেন সাবধানে থাকি এবং তার একটি লিখা সে আমার ঢাকার অফিসে রেখে গেছে তা আমি পড়েছি কিনা। সে সব সময় পার্বত্য চট্রগাম ও দেশের বিভিন্ন বিষয়ের উপর লিখে থাকে এবং এর একটি কপি অবশ্যই আমাকে পাঠাবে ও লিখাটি পড়েছি কিনা জেনে নিবে। তার সাথে ফোনালাপের শেষ দিকে আমি তাকে বললাম, মুকুল তুমি আমাকে কল দিলে আমি যদি না ধরি তাহলে বুঝে নিবে আমি ব্যস্ত আছি, তখন ১/২ ঘন্টা পর আবার কল দিও, নাহয় অবশরে আমিই তোমাকে কল বেক করবো। সে জ্বি আচ্ছা বলে ফোন রেখে দিল। আমি যানিনা আমার কথায় মুকুল কষ্ট নিলো কিনা। তা আর কোনদিন মুকুল থেকে জানতেও পারবোনা !!!!
আজ শুনলাম সে আর নাই, এই দুনিয়া থেকে বিধায় নিয়েছে,তাও আবার স্বাভাবিক নয়, একটি নির্মানাধীন ভবনের ভাংগা পিলার পড়ে নির্মমভাবে নিহত হয়েছে। [ইন্নালিল্লাহি............]
এখবরে আমি ভীষনভাবে ব্যথা ও কষ্ট পেয়েছি। যা আমি ভুলতে পারছিনা। আমার কেবলই মনে পড়ছে কেন আমি গতকাল তাকে এই কথাটি বললাম, সেতো আর কোন দিন আমাকে কল দিবেনা। আমি যে তাকে বলেছিলাম কল বেক করবো, আমিতো আর কোনদিন তাকে কল বেক করার সুযোগ পাবোনা।
মুকুল আমি তোমাকে আমার সারাজিবন মিস করবোরে, আমাকে ক্ষমা করে দিস। মূকুল ছিল আমার একজন ভক্ত। আমার কাছে তার কোন কাজ থাকেনা, সে শুধুই আমাকে ভালবাসতো। মুকুলকে এ অস্বাভাবিক বিদায়ের কষ্টে আজ আমার একটি গানের লাইন মনে পড়ে যাচ্ছে ” কিছু কিছ নাম্বার থেকে আর আসবেনা কোন ফোন, কিছু কিছু SMS পড়ে আর হাসবেনা এ মন।”
আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি ও তার শোকাহত স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।।

আটাশ
October 21.2013

নীল ছোঁয়া যায়না,
নীল আকাশের রং, সমুদ্রের রং, বিষাদ এর রং এবং ভালবাসারও রং।
সমুদ্রের পানি ছুঁতে পারলেও নিল ছোঁয়া যায়না, নীল মিশে থাকে দূরদিগন্তে।
যেখানে আকাশ আর সমুদ্রের মাখামাখি।
কেউ যদি নির্দলিয় নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থা আদায় করাকে নীল ভেবে
খালেদা জিয়া থেকে দূরে থাকে সেটা হবে ভুল শুধুই ভুল।
খালেদা জিয়ার আন্দোলন সফল হবেই হবে।
ম্যাডাম জিয়া আপনি একা নন,কোটি জনতা এবং আমরা আপনার সাথে আছি।।

ঊনত্রিশ
October 15.2013
ঈদ মোবারক,
এর সাথে রাজনীতির একটা ক্ষুদ্র Status দিয়ে ঈদকে আরো অর্থবহ করতে চাই। বাজারে শুনা যাচ্ছে কেউ কেউ বিএনপি থেকে বেরিয়ে গিয়ে জাতীর এই সংকট কালে দেশ,জাতি,মানুষ ও বিএনপি কে আঘাত করতে চায়। নিজেদের সুবিধা হাসিলের বিনিময়ে বর্তমান গণবিরোধী সরকারের ঘরে ফায়দা তুলে দিতে চায়। আমি কঠিনভাবে বিশ্বাস করি তা তারা কখনই পারবেনা,সফল হবেনা। তাদের স্বাধ পুরন হতে জনমত বাধা হয়ে দাঁড়াবে চুডান্তভাবে। তাদের পরিনতি হবে বিগত সময়ের প্রখ্যাত বিতর্কিত নেতা শামছুল হুদা, ডাঃ আব্দুল মতিন, কর্নেল জাফর ইমাম, ৮০-৯০’র দিকের ছাত্রনেতা গোলাম সরওয়ার মিলন,আবুল কাসেম চৌধুরী, জালাল আহমেদ,অভি। ৯০ এর গন আন্দোলনের সেরা বিশ্বাসঘাতক ক্যাপ্টেন আব্দুল হালিম ও ১/১১ এর মান্নান ভুঁইয়া গং দের মতো করুন ও কঠিন। বিএনপিকে এরকম পরীক্ষা একবার নয় দিতে হয়েছে বার বার এবং বিএনপি খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এসব অতিক্রম করেছে দক্ষতার সাথে এবং দেশে সর্বাধিকবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়ে জাতীকে সেবা দেয়ার সুযোগ পেয়েছে। তেমনি ভাবে আপোষহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার দল আগত সকল বাধা ও প্রতিকুলতা অতিক্রম করে আবারও রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাবে।
তাই আমি দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি যদি এমনটি হয় অবশ্যই নব্য বেঈমানরা আস্তাকুড়ে হারিয়ে যাবে। হয়ত তাদের ও সরকারের কায়েমি স্বার্থবাদি ষড়যন্তের কারনে গনতন্ত্র খানিক থমকে দাঁড়াবে এর বেশি কিছু ঘটার নয়,ইনশাল্লাহ এসব প্রতিরোধ করে অচিরেই বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এবং তার আগেই আগামি দিনের কান্ডারী তারেক রহমান লড়বে আবহমান। আল্লাহ আমাদের সহায়।।

ত্রিশ
October 13.2013

"তিন সশস্ত্র সংগঠনের সংঘাতে সবুজ পাহাড়ে বারুদের আগুনে প্রতিদিন পুড়ছে অগুনিত মানব। জুমের আগুনে পোড়ে পাহাড়-বন। আর ভ্রাতৃঘাতি অস্ত্রের আঘাতে শুধুমাত্র নিরিহ মানুষেই প্রাণ হারাচ্ছেনা,অকালে প্রাণ হারাচ্ছে ফুলের মত অবুঝ শিশুরাও।
এজাতীয় সংঘাত ও হতাহতের ঘটনা পাহাড়ে বাড়িয়ে দিয়েছে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা। শান্তি চুক্তির পর পাহাড়ের তিন গ্রুপের আঘাতে অন্তত ৬ শতাধিক নেতা কর্মি,সমর্থক ও সাধারন মানুষ প্রাণ হারিয়েছে ”!!!!!!!!
আমরা এর প্রতিকার চাই ।।

একত্রিশ
October 13.2013

মানুষ শুধু মাত্র মাটি দিয়ে নয়,
মাটি,পানি,বাতাস ও তাপ খেকে মানুষের উৎপত্তি।
লক্ষ করে দেখুন, মানুষের দেহে মাটি,পানি, বায়ু ও তাপের অবস্থান লক্ষণীয়।

বত্রিশ
October 6.2013

অভিজ্ঞতার বিষয়ে বলছিলাম।
আমরা অনেকেই মনে করি,আমি সব কিছু জানি।আমি যা জানি তা আমার মা,বাবা,বড় ভাই,বোন বুঝেনা বা জানেনা এবং আশপাশের অনেকই তা জানেনা।আমাদের মনে রাখতে হবে,আমাদের দেখা সমাজের আগের অংশ তাঁরা দেখেছেন,শুনেছেন,পড়েছেন যার সুযোগ আমরা পাইনি এবং একই সাথে তাঁরা আমাদেরকে দেখছে,আমাদের চাল চলন, জীবনমান, আমাদের জগৎ ইত্যাদি কিন্তু আমরা তাদের সময়ের ওসব প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পাইনাই। তাঁরা একাধিক জিবন ও সমাজ ব্যবস্থা লক্ষ্য করেছেন,যা আমরা পাইনাই। তাঁরা ডিজিটাল ও ম্যানুয়াল দেখেছে। আমরা অনেকেই মনেকরি আমরা যা করছি, তাঁরা কিছুই দেখছেনা বা বুচ্ছেনা !!!
মনে করেন,আমরা যার যার প্রজন্ম কিভাবে এতো বুদ্ধিমান,চালাক,ও শিক্ষিত হলাম ? নিশ্চয় লেখাপড়া,সমাজব্যবস্থা,বই পড়ে,নাটক সিনেমা দেখে,শিক্ষিকের কাছথেকে শুনে,বড়দের থেকে দেখে শুনে,আশপাশের ও পারিপার্শিক অবস্থা ইত্যাদি দেখে শিখেছি !!
যদি আমরা তাই মানি,তবে যারা আমাদের পড়িয়েছেন তাঁরা কি আমাদের বড় নয় ? চলমান সমাজ ব্যবস্থা কি যার যার বড়রা গড়েনাই,যাদের দেখে বা অনুসরন অনুকরন করছি তাঁরা কি আমাদের বড় নয় ? যে বিদ্যাস্থানে পড়ছি পড়েছি,যে প্রতিষ্ঠান গুলোতে কাজ করছি তা কি বড়রা প্রতিষ্ঠা বা পরিচালনা করেনাই,করছেনা ? আজকের আধুনিক বিজ্ঞানের যে সকল অংগ,উপাদান,ফোন,মোবাইল,সামাজিক গনমাধ্যম ইত্যাদি যা ব্যবহার করি তা কি বড়রা সৃষ্টি করেনাই,যে ধর্ম আমরা বিশ্বাস করি বা যে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করি তা কি বড়রা অনুশীলন করেনাই,তা হলে মানতেই হবে বড়রা আমাদের চেয়ে অভিজ্ঞ। তাঁরা আমাদের অনেক কিছুই বুঝে । ক্ষেত্র বিশেষে বেশিই বুঝে।
আমরা বা এই সময়ের তরুনরা হয়ত লুকিয়ে এমন কিছু কাজ করি যেমন যার যার কাজকে ফাঁকি দিয়ে অন্য কিছুতে সময় দিচ্ছি/ নষ্ট করছি,নেশা করছি, সিগারেট খাচ্ছি বা তথাকথিত প্রেম করছি,খারাপ কিছুতে জড়িয়ে গেছি, পর্নগ্রাফিতে আসক্ত হচ্ছি কিন্তু আমরা বিশ্বাসকরি আমাদের এসব কিছুই আমাদের অভিবাকরা জানেনা ! কিন্তু না আমাদের সব ওরা জানে। কেউ প্রশ্ন করে আমরা উত্তর দিইনা বা কেউ প্রশ্ন করেনা কিন্তু বড়রা নিরবে মুচকি হাঁসে এ আরকি। অতএব তাঁরা অভিজ্ঞ।
হ্যাঁ এটাও মানতে হবে নতুনরাও অনেক কিছু যানে যা বড়রা অনেকেই কম বুঝে।এর বেশি কিছু নয়।যেমন আগের গাড়ির চেয়ে,আগের বাড়ির চেয়ে,আগের মোবাইলের চেয়ে,আগেকার কম্পিউটারের চেয়ে দিন দিন উন্নত সংস্করণ নুতনরা বের করছে। মা বাবার সন্তানরা কিন্তু মা বাবার চেয়ে আরো অধিক দেখতে সুন্দর হচ্ছে,চলনে বলনে,শিক্ষায় দিক্ষায়,কথাবার্তায় এগিয়ে যাচ্ছে। এটা বিবর্তন ও উত্তরন। তাই তাঁদেরকে অবজ্ঞা বা অবমূল্যায়ন করা ঠিক হবেনা।
“প্রকৃত পক্ষে প্রজন্মের কাছে যখন যা প্রয়োজন সেটাই আসে। তাই কে কম জানে বা বেশি জানে সেটি বিবেচ্য নয়। পূর্বপ্রজন্ম উত্তর প্রজন্মের ভিত্তি। ভিত্তি না থাকলে কিংবা শক্ত না হলে যেমন বিল্ডিং তৈরি করা ঝুকিপূর্ন, তেমনি পূর্বপূরুষকে হেয় করলে,অস্বীকার করলে, তাঁদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললে প্রক্ষান্তরে বর্তমান প্রজন্ম তার ভিতকে অস্বীকার করার সামিল। আবার পূর্বপ্রজন্ম যদি বর্তমান প্রজন্মকে হেয় করে, শুধু তাঁদের ধারনাকে সঠিক বলে জানে তাহলে সেটি হবে পশ্চাদপদতা। তবে পূর্বপ্রজন্মকেও বর্তমান প্রজন্মের চাহিদা মতে স্বাধীনভাবে বেড়ে উঠার সুযোগ করে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, আমাদের সন্তান আমাদের সময়ের অনেক পরের এবং নতুন সময়ের। তাদের কে তাদের মত বেড়ে উঠার সুযোগ না দিলে শক্ত ভিত্তিও অর্থহীন হয়ে যেতে বাধ্য।”
অতএব সাধু সাবধান !!!

তেত্রিশ
October 3.2013

কয়েকজন ভদ্রলোক আমাকে বললেন তুমি ফেসবুকে কি করো? ওটাতো ছোটদের জায়গা। তুমিতো দেখছি দিন দিন ছেলেমানুষ হয়ে যাচ্ছো।
হেসে দিয়ে বললাম আমি ফেসবুক দিয়েও মানুষের কাছে যাই, যা আমার কাজের অংশ। ফেসবুক ঘরে বসে মানুষকে কাছে পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। যা করতে মাইকিং করতে হতো একসময় !
আশ্চার্য হয়ে তারা জানতে চাইলেন তা কি করে সম্ভব?
আমি জানালাম সবার নাহলেও ফেইসবুক অনেকের পাঠশালা, আমারও তাই। এখানে পাওয়া যায় মানুষ ও মানুষের জীবনের গল্প। সমাজের বিচিত্র সব কাহিনী, হয়ত অনেক সত্য,কিছুটা কল্পকথা। কল্পকথাকে পাশকাটিয়ে গেলে পুরোটাই সমাজের চিত্র। তবে পত্রিকার চেয়ে এখানে কল্পকথা অনেক কম। এখানে পাওয়া যায় বই, পত্রিকা, ওয়েব, খবর ও ইতিহাসের সত্যতার লিংক, সত্যতার উপাদান। কি নাই এখানে? পত্রিকা যা এড়িয়ে যায় ফেসবুক তা তুলে আনে স্বাধীনভাবে, নীজগুনে। যে খবর কখনোই খবরে আসেনা সচেতনভাবে। কি নির্মম তা আসে এখানে। দৃড়ভাবে বললাম আমি এজন্যই বসি এখানে।
এখানে চর্চা হয় কাব্যের, সাহিত্যের, সমাজ বিবর্তনের আশাবাদ। মানুষের সত্যিকারের গল্প, তাদের কথা, যাওয়া যায় তাদের কাছাকাছি। এটা ভালো মাধ্যমের কম কিসে?
যেখানে ইরাকের নগ্ন অমানবিক হামলার কথা থাকে, থাকে যুগে যুগে তিনবারের পশ্চিমা হামলায় বিধস্ত আফগানিস্থানের মানুষের আর্তসামাজিক অবস্থার করুন বিবরন। একটি দেশের জিবন্ত লাশ হওয়ার নির্মমতা। মধ্যপ্রাচ্যে মানুষের সৃষ্ট বসন্তের হাওয়া বইয়ে দেয়া।
সদ্য ক্ষমতার বাহিরে যাওয়া ইরানের আহমেদিনাজাদের সাধারন জীবন যাপনের বর্নাট্য কাহিনী, সাধারন যাত্রী হিসাবে লোকাল বাসে যাতায়াতের খবর।
যেখানে থাকে আদুরি ও নদীর মোহনা। অজানা পার্বত্য চট্রগ্রাম ষড়যন্ত ও মানবিকতা।
কিভাবে সকল রীতি নিয়ম লংঘন করে নিজ দেশের ভাবমূর্তি গায়েল করে ক্ষমতায় ফিরে যাওয়ার হীন চেষ্টায় জাতিসংঘে মিথ্যাচার। জয় বাবার ডিজিটাল কেরামতির কাল্পনিক সব লোভনিয় বানী। নীজেদের নিঃশাস বন্ধ করে সুন্দরবনে দুনিয়া থেকে বিতাড়িত কয়লায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের নামে অধিকতর মূল্য জনগনের গাঁড়ে চাপিয়ে দেয়ার উন্নয়ন।
একজন রাষ্টনায়কের রাজনীতিক সন্তানকে দেশের বাহিরে রাখার হীন অমানবিক ও গনতন্ত্র বিবর্জিত অপপ্রয়াস। এরশাদের সকাল বিকাল ও দুপরের খবর। হলমার্ক কেলেংকারি, শেয়ার বাজার লুট, ডেসটিনি লুট করে কোটি মানুষ কে রাস্তায় নামিয়ে দেয়া, পদ্মা অগ্রিম বিক্রি করে দেয়া, সাগর-রুনি হত্যা, শত শত মামলা, হামলা, ইলিয়াস আলি ও কমিশনার চৌধুরী আলমদের লাপাত্তা হয়ে যাওয়া, ভিন্ন মতের লোকদের কন্ঠ চেপে ধরা ও কারাগারে দীর্ঘমেয়াদে আটকিয়ে রাখা। আদালতের skype কাহিনী, বিচারের আগে রায় লিখা ও প্রকাশিত হওয়া। বিচার বিভাগ, প্রশাসন বিভাগের স্বাধিনতা কেড়ে নিয়ে কুক্ষিগত করা।
জিয়া পুত্রের ভিন্নধারার রাজনীতির লন্ডন ঘোষনা।
ড.ইউনুস ও বর্হিবিশ্ব বাংলাদেশকে জানা। সন্মানের আসনে দেশকে নিয়ে যাওয়া। নতুন প্রজন্ম ও টেকনোলজিকে জানা ও আপন করে নেয়া। কি নাই ফেসবুকে!!!!! ফেসবুক স্বাধীন সংবাদিকতার বাহন।


চৌত্রিশ
December 12·2013.


কিছুক্ষণ আগে, আজ রাত দশটা এক মিনিটে কাদের মোল্লার ফাঁসি দিল সরকার। মতান্তরে প্রকাশ, কাদের মোল্লা স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ে ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতি করতো। এবং ঐ সময়ে, ফরিদপুরের একজন কামেল পীর ও আওয়ামী লীগ একনিষ্ঠ সমর্থকের বাড়িতে থাকতেন। কেউ কেউ এটাও বলিষ্ঠভাবে বলতে চান, কাদের মোল্লা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।

যাক….আমার আশংকা হলো, এই মুহূর্তে দেশের অবস্থা খুবই খারাপ। দেশের চারিদিকে বড় রকমের সংঘাতের আলামত দেখা যাচ্ছে। গত মাসাধিককাল ধরে দেশে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। সংঘাত ছড়িয়ে পড়ছে চতুর্পাশে। লক্ষীপুরে আজ জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক সাহাবউদ্দীন সাবু গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়, চারজন পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। সাবুকে পুলিশ-র‍্যাব তাঁর নিজ বাড়িতে ঢুকে সরাসরি গুলিবিদ্ধ করে। কুমিল্লায় আরও দুইজন সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক মানুষ আহত-নিহত হয়েছে এবং হচ্ছে বলে খবর আসছে। সাবু'র অবস্থা আশংকাজনক, তার অনেক রক্তক্ষরন হয়েচ্ছে। তাকে চিকিৎসা করতেও নিতে দিচ্ছে না এই অমানবিক সরকারের পেটোয়া বাহীনি। সে এখন জীবন মৃত্যুর মুখোমুখি, দোয়া করি আল্লাহ যেন তাকে বাঁচিয়ে রাখে।
সাহাবুদ্দীন সাবুর গুলিবিদ্ধ হওয়ার সংবাদে আমি মর্মাহত। খুবই সুন্দর ও চমৎকার একজন মানুষ। লক্ষীপুর পৌরসভার মেয়র ছিলেন। বয়সে আমার চেয়ে একটু ছোটই হবেন। মাত্র মাসখানেক আগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মেঘনা ব্রিজের পাঁড়ে একটি রেস্টুরেন্টে তাঁর সাথে আমার দেখা হয়। আমি তাকে চিনতে পারি নাই। সে আমাকে চিনে নিয়ে আমার টেবিলে এগিয়ে এসে বসলো। তবুও আমি তাকে চিনতে পারছিলাম না! কারন, সে আগের চেয়ে একটু পরিবর্তন হয়েছে শারীরিকভাবে। পাশের টেবিলে বসা তাঁর একটি ফুটফুটে বাচ্চা। রেস্টুরেন্ট থেকে বের হবার সময় তাঁর বাচ্চাটাকে আদর করতে ইচ্ছে করলো, তাই করলাম। এবং সাবুর কাছ থেকে বিদায় নিলাম।!

১/১১ তে আমরা চট্টগ্রাম কারাগারে একসাথে ছিলাম। অনেক স্মৃতি আমাদের সাথে তাঁর। সে বেশ কিছুদিন আমাদের সাথে একই কক্ষে ছিল। সে ছিল সদালাপী, বিনয়ী ও সম্ভাবনাময় রাজনীতিক। আর তাই আমাদের সকলের অনুজ হওয়া সত্বেও, তাঁর সাথে আমাদের গড়ে উঠে বেশ সখ্যতা। অনেক গল্প, আড্ডার স্মৃতি আজ বারবার চোখের সামনে ভেসে আসছে। চট্টগ্রাম কারাগারে তখন আমি, সাবু, চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র মহিউদ্দীন চৌধুরী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, ফটিকছড়ির সাবেক সাংসদ রফিকুল আনোয়ার, সাবেক সাংসদ সরোয়ার জামাল নিজাম, সাবেক সাংসদ শাজাহান চৌধুরী ও কুমিল্লার সাংসদ মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী একই কক্ষেই ছিলাম। অপেক্ষার প্রহরে বন্দী-জীবনকে সাবু সহ আমরা কত বেদনাবিধুর আড্ডাই না দিলাম! মনে হচ্ছে এই সেই দিন! আজ সেই সাবু জীবন মৃত্যুর মাঝামাঝি। সাবুর যেদিন জামিন হয়, সেদিন জেলগেটে আবার গ্রেফতার আতংকে সবাইকে না জানিয়ে গোপনে কারাগার থেকে বের হয়ে গেল সে। কি নির্মম! সেদিন ১/১১-এর অবৈধ জরুরী সরকারের হাত থেকে বাঁচার জন্য, জেল থেকে লুকিয়ে বেরিয়ে বাঁচতে পারলেও, রেহাই পেলো না বর্তমান অবৈধ হাসিনা সরকারের হাত থেকে। আজ দেশের চরম ক্রান্তিকাল। গণতন্ত্র মৃত্যু পথযাত্রী। চর দখলের মত ক্ষমতা দখল করে বসে আছে এই সরকার! কাতারে কাতারে মানুষের মৃত্যু ও রক্তের স্রোত মাড়িয়ে তিনি ক্ষমতায় থাকতে চান। তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদেই থাকতে চান। মানুষ তাঁকে না মানলে কি আসে যায়! দেশের আজ বড়ই দুর্দিন।


পয়ত্রিশ
December 13 · 2013.

বাংলাদেশ আজ এক অসহায় পরিস্থিতির সঙ্গীন সংকটে নীপাতিত। রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রত্যেকটি অঙ্গ ক্যান্সারের চেয়েও মারাত্মক পচন রোগে জর্জরিত। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আমার সুকুমার বৃত্তিগুলো চরম লজ্জায় নুইয়ে।প্রতিটি মুহূর্ত চরম উৎকণ্ঠায় কাটছে।সাধারণ মানুষ শুধু নয়, ‍পুরো দেশটি আজ ধ্বংসের দ্বা্রপ্রান্তে। কয়েকজন মানুষের ক্ষমতার লোভ দেশকে এমন ভয়ঙ্কর অবস্থায় নিয়ে গিয়েছে। তাদের লোভ ক্রমশ হিংস্র হয়ে উঠছে। জানোয়ারের চেয়েও নৃশংস যাতনায় তারা দেশ ও দেশের মানুষের সকল অধিকার ভূলুন্ঠিত করছে। শুধু তাদের বিবেকবর্জিত কর্মকাণ্ডের জন্য আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে অনাগত প্রজন্মের ভবিষ্যৎ। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্র বিধ্বস্থ হতে বসেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় সাধারণ জনগণের ঐকমত্য। দেশটি কারও একার সম্পদ নয়। আমাদের সবার। তাই আসুন সবাই মিলে নৃশংস লোভীদের প্রতিহত করার আন্দোলনে সামিল হই।

হে সাধারণ জনগণ, অসহায় দেশ আজ আপনাদের দিকে তাকিয়ে। যে দেশের মাটি ও আলো-বাতাসে আমাদের সবার জন্ম ও বেড়ে উঠা; সে দেশের এ সঙ্কটময় মুহূর্তে তাকে রক্ষায় কী আপনারা এগিয়ে আসবেন না? মনে রাখবেন দেশ কিন্তু আপনাদের দিকে তাকিয়ে। আপনাদের স্বার্থে দেশকে ভালো রাখা অনিবার্য।


ছয়ত্রিশ
December 14 · 2013.


আজকের দিনটি আমাদের খুবই কষ্টের ও বেদনার একটি দিন।
এদিনে আমাদের অতি মূল্যবান জীবনগুলো হানাদার কেড়ে নিয়েছে।
স্বাধীনতা যখন আমাদের অতি নিকটে, হাতছানি দিয়ে ডাকছে,
ত্যাগের বেদনা ভুলিয়ে দিতে বিদ্যুৎ এর মত আমাদের দরজায়
আনন্দ সংবাদ নিয়ে অপেক্ষায়, ঠিক তখনই পরাজিতরা এই জাতির
শ্রেষ্ঠ সন্তান এই বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করলো।
এই জাতি যাতে আগামীতে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে তাই জাতির
মেরুদন্ড ভেংগে দেয়া হলো।
এরা ছিল জাতির মেধাবী সন্তান, নতুন দেশটি গড়ার পরিকল্পনা
একেছিল এরা, জাতিগত শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে এরা ছিল সোচ্চার।
এদের অংকনের ক্যানভাসে ছিল আত্নমর্যাদাসম্পন্ন মাথা উচু করা
একটি বাংলাদেশ। এই জন্যই তাদেরকে শহীদ হতে হয়েছিল।

আদৌ আমরা কি পেরেছি তাদের সেই ক্যানভাসের বাংলাদেশ নির্মান
করতে? পারিনি তাদের ভাবনার সেই দেশ গড়তে! পরাজিতরা হাসছে
তাদের ষড়যন্ত্রের দীর্ঘ মেয়াদি হত্যাজজ্ঞের কাছে যেন আমরা হেরে
যাচ্ছি এই ভেবে।

আমাদেরকে শক্ত করে দাঁড়াতে হবে, ধরতে হবে হাল-পাল, যাতে
আমাদের হারিয়ে যাওয়া বুদ্ধিজীবিদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ অর্জন করতে
পারি। পারি তাদের ভাবনার বিকাশ ঘটাতে। আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ
গড়তে।

স্বাধীনতা অর্জনের সেই আত্নত্যাগী দেশমাতৃকার বুদ্ধিজীবিদের প্রতি
জানাচ্ছি বিনম্র শ্রদ্ধা।


সায়ত্রিশ
December 15. 2013.


এই মাত্র প্রিয় বিশ্বনন্দিত মাদিবাকে তার প্রিয় গ্রাম
ইষ্টার্ন কেপের কুনু এর মাটি গ্রহন করলো, সমাহীত
হলেন মাদিবা।
সারা বিশ্বের
নজর এখন এই গ্রামে। বিদায় মাদিবা, বিদায় নেতা।
তুমি লড়াই করেছো সাম্যের ও বঞ্চিতদের মর্যাদার।
সারা বিশ্বের গুনিজন সহ হাজার হাজার মানুষ হাজির
ছিলো তোমার সমাহিত হওয়ার অনুষ্ঠানে।
তোমাকে মনে থাকবে সারা জীবন সকলের। কাছে
গিয়ে পারিনি দিতে ফুল এ আমার সীমাবদ্ধতা, ক্ষমা
করে দিও, এই লিখনির মাধ্যমে পাঠালাম তোমায়
এক টুকরো ফুল, সুন্দর-ভালবাসা!!!


আটত্রিশ
December 16.2013.


আজ মহান বিজয় দিবস, বাংলাদেশের জনগণের জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তির একটি দিন। বাংলাদেশের ইতিহাসের খেরোখাতায় যেই দিনটি অন্য সব দিনের উজ্জ্বলতাকে ম্লান করে দেয়, আজ সেই বিজয় দিবস। মুক্তির প্রচন্ডতার অভিব্যাক্তি এই দিনটিতে এসেই পেয়েছিল পূর্ণতা। লাখো চোখের অশ্রু, অসংখ্য ফোঁটা রক্ত, কল্পনারও অতীত লাশের স্তূপ, নিজ জীবনকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য জ্ঞ্যান করতে পারা অসম্ভব সাহস, দেশমাতৃকার প্রতি সর্বোচ্চ টান, অসীম ত্যাগ-তিতিক্ষা, কঠিন তাপস্য, বজ্রের ন্যায় পণ, অজস্র মায়ের সম্ভ্রম আর পৃথীবির সবচেয়ে সুন্দর কিছু স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও ভালোবাসার সম্মিলনে যেই পতাকা, মানচিত্র ও নাম এই লাল সবুজের দেশটি অর্জন করেছে, সেটি আজকের দিনেই প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। সেই পতাকা, মানচিত্র ও স্বার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য এই দেশের প্রতিটি মানুষ আজও নির্দ্বিধায় প্রাণ দিতে প্রস্তুত বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

আজকের এই দিনে স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্নোৎসর্গকৃত সেই সব পবিত্র আত্নাদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা, যাদের আত্নত্যাগে অর্জিত হয়েছে এই জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন - মহান স্বাধীনতা। আমরা তোমাদের ভুলবো না।

এই দিনে যাকে অনেক বেশি মনে পড়ে, স্বাধীনতা যুদ্ধের অগ্রসেনা, রণাঙ্গনের সম্মুখ যোদ্ধা, সরাসরি স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী মেজর জিয়াকে, যার স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে জাতি ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এই মুক্তিসংগ্রামে, দিশেহারা জাতি কান্ডারি খুঁজে পেয়েছিল একটি আওয়াজে, পেয়েছিল দিকনির্দেশনা। 'আমি মেজর জিয়া বলছি...' - এই ঘোষণা এখনও লক্ষ কোটি জনতার কানে বাজে, শিহরন জাগায় শরীরে, রক্তে এন্ড্রোলিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, খাড়া করে দেয় গায়ের প্রতিটি লোমকূপ। সম্মুখ যুদ্ধের এই অকুতোভয় অধিনায়কের অতুলনীয় ভূমিকার কথা আজও জাতি বিনম্র শ্রদ্ধার সহিত স্মরণ করে। সেইদিনের সেই ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধে তাঁর গৌরবজ্জ্বল ভূমিকা আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়।

সবাইকে এই বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বিজয়ের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে দেশ গড়ার কাজে অগ্রসর হবার জন্য সকলকে আহবান জানাই।

উনচল্লিশ


October 3.2013

গভীর রাত,তাই বলছি।
ভালোবাসতে যেওনা
ওখানে আগুন আছে।
বিয়ের আগে মনে হবে ওখানে ললিতা
বিয়ের পর বুঝবে ওখানে তিক্ততা।
বড়ই কষ্ট
কঠিন কষ্ট।
কষ্ট নিবে,তাহলে ভালোবাসো
তবে এ কষ্ট দোযখ'এরও অধিক
ভেবে দেখো নিবে কষ্ট না ভালোবাসা?


চল্লিশ


October 3.2013
আদুরির কথা বলছিলাম আমি আর আমার এক বন্ধু ড.আমিন। আদুরিকে নিয়ে আবেগ দিচ্ছিলাম !
আদুরি,
আমরা এর দায় এড়াতে পারিনা। একজন আহত রক্তাক্ত রুগীকে দেখে আপনজন, সাধারন মানুষ যেমন আহাজারি করে অথচ সরকারি হাসপাতালের একজন ডাক্তার তা দেখে গায়েও মাখেনা, কারন ডাক্তার এজাতীয় রুগী দেখতে দেখতে মানবিকতার উর্দ্ধে উঠে যায়, কেমন জানি নিষ্টুরতা!
ঠিক তেমনিভাবে নির্যাতিত ক্ষত বিক্ষত আদুরীদের দেখতে দেখতে এ সমাজ, জাতি যেন মানবিকতার উর্দ্ধে উঠে গেছে, মনে হয় শোধবোধ হারিয়ে ফেলেছে !!!
আদুরীদের নিয়ে আজ যারা প্রতিবাদ করলো না, দেখুন গিয়ে অতি নগন্য বিষয়ে তারা গলা ফাটিয়ে ফেলছে যেমন ডাকাত মিজান! তথাকথিত সু+শীল সমাজ, রাজনীতিক।


একচল্লিশ
October 2.2013
 
সভ্য সমাজে সরকারের বিরুদ্ধে একটা মিছিল হলেও তা সরকারের জন্য ক্ষতিকর ও লজ্জাকর। অথচ আওয়ামী সরকার বিএনপিকে বলছে আপনাদের আন্দোলন করার শক্তি নাই। অর্থাৎ আসুন দেখি আন্দোলন করুন। আন্দোলন করার জন্য ডাকছে!!
এর অর্থ কি দাঁড়ায়? সরকার চাচ্ছে একটা বড় রকমের ঝামেলা, যাতে ঝামেলাকে উসিলা করে জরুরী অবস্থা ঘোষনা বা তৃ্তীয় কাউকে ডেকে এনে ক্ষমতা দিয়ে দেয়া যায়। যাতে অন্তত বিএনপি গনতান্ত্রিক ধারায় ক্ষমতায় যেতে নাপারে!!!
তারা যে ক্ষমতায় যাবেনা তা তারা ভালো করেই বুঝে।
বিয়াল্লিশ 
October 3.2013
বিশেষ কারনে আজ একটি বিশেষ দিন। 
মাঝে মাঝে এমন কিছু সত্যি কথা লিখতে চাই, বলতে চাই কিন্তু পারা যায় না। 
কারো কাছে ঐ সকল লিখায় ভুল বার্তা যায়।
আবার এই সকল সত্য ভাষনে ভক্ত সমর্থকরা কষ্ট পায়।
কারন গনতন্ত্রের চবক মেজরটি কে উপেক্ষা করা যাবে না।
কিন্তু কথাগুলো নিরেট সত্য।
বহু দিনের জমে থাকা কষ্ট সত্য কথাগুলো আজ মুখ থেকে বের করেও ফিরিয়ে নিলাম।
এই জন্যেই প্রবাদ আছে...
'
সত্য কথা তিক্ত বেশি' 'গরম ভাতে বিড়াল বেজার'



তেতাল্লিশ 
September 28.2013
প্রকৃ্তি নেপালকে দিয়েছে হিমালয়। যা তাদের রাষ্টিয় আয়ের প্রধান উৎস।
কানাডায় প্রকৃ্তির দান নায়েগ্রা জলপ্রভাত। যা তাদের আয়ের অন্যতম উৎস।
মধ্যপ্রাচ্য কে তেল।

আমাদের কি আছে???
সুন্দরবন, পার্বত্য চট্রগ্রাম ও কক্সবাজার।
সুন্দরবন শুধু আমাদের শোভা নয়!
আমাদের জীবন। পরিবেশ, প্রকৃ্তি, বিশ্ব প্রতিযোগিতার ইভেন্ট এবং আমাদের অহংকার।
এটা রামছাগলেও বুঝে, ওরা কেন বুঝেনা!!!!!

বিদুৎ এর প্রয়োজনিয়তা অতীব জরুরী।
তাই বলে কি সুন্দরবন ধংস করে দিতে হবে?
দেশের অন্য যে কোন জায়গায় কি এই বিদ্যুৎ প্রকল্প করা যায়না?
 চুয়াল্লিশ
November 22.2013
শুভ সকাল,
প্রিয় বন্ধুরা আজ বড়বেশী মনে
পড়ছে আমার প্রিয় মানূষদের,
সাথে আপনাদের কে।
আপনারা ভাল থাকুন।
আমি ভাল থাকতে পারবোনা !!
অবশ্য মাঝেমাঝে আমি এই কষ্ট টা পাই।

Your Reply

আমার সম্পর্কে আরও জানতে চাইলে,
ক্লিক করুন WadudBhuiyan.Com