ব্যক্তিগত ভাবে কাদের মোল্লা'র সাথে আমার পরিচয় ছিল !


.


আমার সাথে ব্যক্তিগতভাবে কাদের মোল্লার পরিচয় ছিল। তবে তা রাজনীতি'র চলার পথে। আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। অনেক লেখাপড়া জানতেন তিনি, তা আলোচনায় বুঝা যেতো। ভালো মানুষ ছিলেন, ফাঁসির পর অনেক মনে পড়ছে, এই দায় থেকে লেখাটি পোস্ট করলাম। 

 ‘ফাঁসির ঠিক আগ মুহূর্তে কাদের মোল্লা একদমই চুপচাপ ছিলেন। তবে একেবারেই স্বাভাবিক দেখা গেছে তাকে। মুখে কোনো কথা না বললেও অনেকটা অবিচল ছিলেন তিনি। কেবল এদিক ওদিক তাকাচ্ছিলেন কখনও কখনও। এ সময় তিনি সাধারণত কোনো কথা বলতেন না।

কাদের মোল্লা একবারই কথা বলেছিলেন। সেদিন তিনি কেবল বলেছিলেন- কই আমাকে তওবা পড়ানোর জন্য তো হুজুর এলো না। তবে এ বিষয়ে কেউ কোনো উত্তর দেয়নি।’ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সংবাদ শুনেও তিনি বিচলিত হননি। অনকেটাই স্বাভাবিক ছিলেন।

রাত ১০টা ১ মিনিটেই তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। মিনিট পনের আগে ঢাকা কারাগারের পুকুরপাড় মসজিদের ইমাম মাওলানা মনির তাকে তাওবা পড়ান।
বৃহস্পতিবার রাতে ফাঁসি কার্যকর করার আগে কাদের মোল্লাকে জীবনের শেষ ভাল খাবার দেয়া হয় গরু, মুরগীর গোশত ও তিন প্রকার সবজি এবং সাদা ভাত। এরপর কাদের মোল্লাকে জীবনের শেষ গোসল করানো হয়। পরে তিনি দুই রাকাত নামাজ আদায় করেন। পায়জামা পাঞ্জাবি পরিহিত কাদের মোল্লা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে ফাঁসির মঞ্চের দিকে এগিয়ে যান।
তাকে যখন ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হয়, তখনও তাকে ভাবলেশহীন ও স্বাভাবিক দেখা গেছে।’

পুরো ২০ মিনিট ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে রেখে কাদের মোল্লার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। দড়ি থেকে নামানোর পরে তার মৃত্যু হয়েছে কি না, সে পরীক্ষাও করা হয়েছ। হুমমমমম ।